কংগ্রেসের অস্বস্তি বাড়িয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন শশী থারুর। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দলের সঙ্গে মতবিরোধ রয়েছে তাঁর। থারুরের এই প্রকাশ্য স্বীকারোক্তিকে কীভাবে নিচ্ছে কংগ্রেস। তাঁর এই বিস্ফোরক মন্তব্যের জেরে কী সিদ্ধান্ত নেবে দল? রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে জল্পনা।
প্রসঙ্গত শশীর সঙ্গে কংগ্রেসের দূরত্ব বেশ কিছুদিন ধরেই বাড়ছে। এই মুহূর্তে দলের মধ্যেই কোণঠাসা শশী থারুর। বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা মনে করছেন, এই মুহূর্তে কেরলে কংগ্রেস নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে। সেকারণেই শেষদফায় বামেদের ক্ষমতাচ্যুত করা যায়নি। এমনকী শশীর এও দাবি, যে তিনিই কেরলে কংগ্রেসের জনপ্রিয়তম নেতা। কংগ্রেসি ভাবধারার বাইরের বহু মানুষের কাছেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আছে। এই মন্তব্য নিয়ে কেরল কংগ্রেসে রীতিমতো টানাপড়েন শুরু হয়। এর মধ্যে লাগাতার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করে চলেছেন তিনি। এবার প্রকাশ্যেই মানলেন, দলের সঙ্গে তাঁর মতের মিল হচ্ছে না। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, আগামী দিনে কোন পথে পা বাড়াতে চলেছেন তিনি?
Advertisement
এদিকে মার্কিন মুলুকে অপারেশন সিঁদুরের জয়গান গেয়ে পবন খেরা, উদিত রাজ, জয়রাম রমেশের মতো নেতাদের খোঁচার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। শশী এআইসিসি সদস্য। কংগ্রেস সভাপতি পদে নির্বাচন লড়েছিলেন। এ হেন নেতা লাগাতার প্রকাশ্যে দলের অবস্থানের উলটো পথে গিয়ে মোদি সরকারকে সার্টিফিকেট দিয়েছেন, তাতে অস্বস্তিতে পড়েছে দল।
Advertisement
তবে তিরুঅনন্তপুরমের সাংসদ এতদিন প্রকাশ্যে সেই মতবিরোধের কথা স্বীকার করতেন না। তাঁর দাবি ছিল, তিনি অপারেশন সিঁদুরের মতো ইস্যুতে সরকারের অবস্থানকে সমর্থন করছেন শুধু ভারতের নাগরিক হিসাবে, কংগ্রেস নেতা হিসাবে নয়। এবার কংগ্রেস সাংসদ বলে দিলেন, ‘দলের কারও কারও সঙ্গে আমার কিছু বিষয়ে মতবিরোধ রয়েছে। সেটা জনসমক্ষেই রয়েছে।’ এই বক্তব্যের পর কংগ্রেস হাই কমান্ড কী সিদ্ধান্ত নেয় সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।
Advertisement



