• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 6 August, 2026

নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করল বম্বে হাইকোর্ট, দোষী সাব্যস্ত তলেহকা প্রতিষ্ঠা তরুণ তেজপাল

বৃহস্পতিবার বিচারপতি নীলা গোখলে ও বিচারপতি অমিত জামসান্দেকরের ডিভিশন বেঞ্চে  (Bombay High Court)মামলার শুনানি হয়। শুনানির পর নিম্ন আদালতেরর রায় বাতিল করে তেজপালকে (Tarun Tejpal)  দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে

নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করল বম্বে হাইকোর্ট, দোষী সাব্যস্ত তলেহকা প্রতিষ্ঠা তরুণ তেজপাল

Image: ANI

২০১৩ সালের ঘটনা। এক মহিলা সমকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তহেলকা পত্রিকার (Tehelka) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাক্তন সম্পাদক তরুণ তেজপালের (Tarun Tejpal)  বিরুদ্ধে। সেই মামলা বৃহস্পতিবার তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছে বম্বে হাইকোর্ট (Bombay High Court)। ২০২১ সালে গোয়ার একটি নিম্ন আদালত তাঁকে বেকসুর খালাস করে। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেছিল গোয়া সরকার। বৃহস্পতিবার বিচারপতি নীলা গোখলে ও বিচারপতি অমিত জামসান্দেকরের ডিভিশন বেঞ্চে  (Bombay High Court)মামলার শুনানি হয়। শুনানির পর নিম্ন আদালতেরর রায় বাতিল করে তেজপালকে (Tarun Tejpal)  দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

রায় ঘোষণার আগে আদালতে নিজের বক্তব্যে তরুণ তেজপাল (Tarun Tejpal)  বলেন, তাঁর বয়স ৬২ বছর এবং তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তিনি জানান, তাঁর পরিবার রয়েছে এবং এই বিষয়ে এর বেশি কিছু বলার নেই। তবে তিনি উচ্চতর আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলেও ইঙ্গিত দেন। আদালতের কাছে তাঁর বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করার আবেদন জানান।

আরও পড়ুন: জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় স্থগিত অমরনাথ যাত্রা, ৩৭০ বিলোপের বর্ষপূর্তিতে উপত্যকায় হাই অ্যালার্ট

ঘটনার সূত্রপাত ২০১৩ সালের নভেম্বরে। তহেলকার (Tehelka) এক তরুণী কর্মী অভিযোগ করেন, গোয়ার একটি পাঁচতারা হোটেলের লিফটে তাঁকে যৌন হেনস্থা করেন তরুণ তেজপাল (Tarun Tejpal) । তদন্তে নেমে গোয়া পুলিশ জানায়, একদিন নয় পরপর দুদিন ওই কর্মীকে যৌন হেনস্থার শিকার হতে হয়েছিল। যদিও শুরু থেকেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছেন তেজপাল (Tarun Tejpal) ।

তাঁর অভিযোগ ছিল, গোয়ার তৎকালীন বিজেপি সরকারের সমালোচনা করায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে তাঁর বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে। তবে হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজের সঙ্গে অভিযোগকারিণী তরুণীর বক্তব্যের মিল আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ২০১৩ সালের ৩০ নভেম্বর তরুণ তেজপালকে (Tarun Tejpal) গ্রেপ্তার করা হয়। প্রায় ছয় মাস গোয়ার ভাসকো জেলে বন্দি ছিলেন তিনি(Tarun Tejpal)।

আরও পড়ুন: হাসিনার ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই হামলা শাকিবের বাড়িতে! উত্তপ্ত বাংলাদেশ, ফের অনিশ্চিত ভারতীয় দলের সফর

২০১৪ সালে গোয়া পুলিশের অপরাধদমন শাখা প্রায় তিন হাজার পাতার চার্জশিট আদালতে জমা দেয়। একই বছরের জুলাই মাসে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) থেকে জামিন পান তেজপাল (Tarun Tejpal) । এরপর ২০১৭ সালে বিচারপ্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হলে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন এবং অনৈতিক আচরণের অভিযোগে বিচার চালানোর অনুমোদন দেয়।

২০১৯ সালে এফআইআর বাতিলের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তেজপাল (Tarun Tejpal) । কিন্তু শীর্ষ আদালত সেই আবেদন খারিজ করে মামলাটি গোয়ার আদালতেই চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। পরে ২০২১ সালে গোয়ার ট্রায়াল কোর্ট সমস্ত অভিযোগ থেকে তাঁকে খালাস করে দেয়। সেই রায়ের বিরুদ্ধেই উচ্চ আদালতে আপিল করেছিল গোয়া সরকার। অবশেষে সেই আপিলে নিন্ন আদালতের রায় বাতিল করে তরুণ তেজপালকে (Tarun Tejpal)  দোষী সাব্যস্ত করেছে বম্বে হাইকোর্ট (Bombay High Court)।

https://youtube.com/shorts/TS_MBIQcXQk?si=9pceX4LlIpcVhpak