এই রায়ের ফলে বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে বাইরে থাকা আসারামকে ফের জেলে আত্মসমর্পণ করতে হবে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৫ এপ্রিল যোধপুরের বিশেষ পকসো আদালত এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে আসারামকে বাকি জীবন কারাবাসের নির্দেশ দিয়েছিল। একই মামলায় শরৎচন্দ্র ও শিল্পীকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। সেই রায়ের বিরুদ্ধেই রাজস্থান হাইকোর্টে আপিল করেছিলেন তিন জন।
গত ২০ এপ্রিল এই মামলার শুনানি শেষ হয়। আসারামের পক্ষে আইনজীবী দেবদত্ত কামাত এবং দীপক মেনারিয়া সওয়াল করেন। রাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল দীপক চৌধুরী এবং নির্যাতিতার আইনজীবী পিসি সোলাঙ্কি আদালতে বক্তব্য রাখেন। সব পক্ষের সওয়াল শোনার পর আদালত রায় স্থগিত রেখেছিল।
Advertisement
২০১৮ সালে সাজা ঘোষণার পর থেকেই যোধপুর জেলে ছিলেন আসারাম। কেবল চিকিৎসার কারণে তাঁকে বাইরে আনা হত। দীর্ঘদিন ধরে হাইকোর্ট, নিম্ন আদালত এবং সুপ্রিম কোর্টে একাধিকবার জামিনের আবেদন জানানো হলেও ২০২৪ সালের আগে তাতে সাড়া মেলেনি। অবশেষে ২০২৪ সালের মার্চে চিকিৎসার জন্য তাঁকে প্রথম ১০ দিনের অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়া হয়। এরপর দফায় দফায় সেই জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি তাঁর অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ আগামী ৭ জুলাই পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
Advertisement
Advertisement



