নতুন বছরেই দাম বাড়ল বিড়ি, সিগারেট, গুটখা-সহ অন্যান্য তামাকজাত পণ্যের।কেন্দ্রীয় বাজেটে এই পণ্যগুলির উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। সেই অনুযায়ী আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে তা কার্যকর হতে চলেছে। বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবারই বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে তামাকজাত পণ্যের উপর অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক এবং পানমশলার উপর নতুন সেস আরোপ হতে চলেছে। ফলে এখন থেকে নেশার জন্য বাড়তি টাকা গুনতে হবে ধূমপায়ীদের।
সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পানমশলা, সিগারেট এবং তামাকজাত সামগ্রী-সহ যাবতীয় ‘পাপের পণ্যে’ ৪০ শতাংশ জিএসটি হার প্রযোজ্য হবে। বিড়ির উপর প্রযোজ্য হবে ১৮ শতাংশ জিএসটি। পাশাপাশি, পানমশলার উপর স্বাস্থ্য ও জাতীয় নিরাপত্তা সেস আরোপ করা হবে। অন্য দিকে, তামাক এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যের উপর চাপবে অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক।সিগারেটের উপর বর্তমান করের মধ্যে ২৮ শতাংশ পণ্য ও পরিষেবা কর এবং অতিরিক্ত শুল্ক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
Advertisement
সেপ্টেম্বরে জিএসটি-র নতুন কাঠামোয় কেন্দ্রের তরফে ‘পাপের পণ্যে’ ৪০ শতাংশ কর বসানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। জিএসটির হার কমলেও যাতে সিগারেট, তামাক, পানমশলা কিংবা গুটখার মতো নেশাদ্রব্যের দাম না কমে, সেই ব্যবস্থা করতে গত ডিসেম্বরে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে ‘স্বাস্থ্য এবং জাতীয় সুরক্ষা সেস বিল’ আনে কেন্দ্র। এই পণ্যগুলির উপর যে বাড়তি কর চাপানো হবে, তা খরচ করা হবে জনস্বাস্থ্য ও জাতীয় সুরক্ষায়। সেই মতো এ বার দাম বাড়তে চলেছে পানমশলা ও তামাকজাত পণ্যের।
Advertisement
এই তামাকজাত পণ্যই ভারতের মোট রাজস্বের ৩ শতাংশ সরকারকে দেয়। এতে বহু মানুষের কর্মসংস্থান হয়।বিশ্বজুড়ে বহু দেশের সরকার জনকল্যাণের পাশাপাশি রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য এই ধরণের পণ্যের উপরে বেশি কর আরোপ করে। ভারতে এই ক্ষতিকারক পণ্যগুলির উপরে ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ জিএসটি আরোপ করা হয়েছে।
Advertisement



