গুরুতর অভিযোগে জড়ালেন স্বামী চৈতন্যানন্দ সরস্বতী। দিল্লির দক্ষিণ-পশ্চিম জেলার ডেপুটি পুলিশ কমিশনার অমিত গোয়েল জানিয়েছেন, একাধিক মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে জেরা করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বহু মহিলাকে তিনি ফাঁদে ফেলেছিলেন বলে অভিযোগ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যে তিনজন মহিলা শুরু থেকেই তাঁর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের অভিযোগই এই মামলার কেন্দ্রবিন্দুতে। অভিযোগ, সরাসরি নিজের ফোন ব্যবহার না করে তিনি একটি আন্তর্জাতিক নম্বরের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতেন। সম্প্রতি যে হোটেলে তাঁকে আটক করা হয়, সেখানে তিনি নিজের পুরনো নাম ব্যবহার করেছিলেন, যাতে পরিচয় গোপন থাকে।
Advertisement
আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, ওই হোটেলের সমস্ত সিসিটিভি ক্যামেরায় নিজের মোবাইল থেকে নজরদারি চালাচ্ছিলেন তিনি। তদন্তে সেই অভিযোগ প্রমাণিতও হয়েছে। পুলিশের হাতে তাঁর ফোনে সেই নজরদারির অ্যাপ মেলে।
Advertisement
ডিসিপি অমিত গোয়েল বলেন, ‘অভিযোগগুলি বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে। যাঁরাই এই ঘটনায় জড়িত, তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পুলিশের দাবি, পুরো ঘটনার মুলে রয়েছে এক সুপরিকল্পিত প্রতারণা ও প্রলোভনের ফাঁদ। তবে কতজন মহিলা বাস্তবে এই কেলেঙ্কারির শিকার হয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত চলতে থাকায় ঘটনার আরও চাঞ্চল্যকর দিক প্রকাশ্যে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
Advertisement



