• facebook
  • twitter
Saturday, 10 January, 2026

১১ জানুয়ারি সোমনাথ স্বাভিমান পর্বে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

ঐতিহ্য, আত্মসম্মান ও জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্নে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও এই অনুষ্ঠান ঘিরে উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো।

আগামী ১১ জানুয়ারি গুজরাতের ঐতিহাসিক সোমনাথ মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, আত্মমর্যাদা ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে এই অনুষ্ঠানকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে ঘিরে গির সোমনাথ জেলা জুড়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’ মূলত দেশের প্রাচীন সভ্যতা, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার একটি উদ্যোগ। সোমনাথ মন্দির ভারতের আধ্যাত্মিক ইতিহাসে শুধু নয়, জাতীয় আত্মসম্মানের প্রতীক হিসেবেও দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। এই মন্দির বহুবার ধ্বংসের মুখে পড়েও বারবার পুনর্গঠিত হয়েছে, যা দেশের অদম্য মানসিকতার প্রতিফলন বলে মনে করেন ইতিহাসবিদদের একাংশ।

Advertisement

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদী সোমনাথ মন্দিরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব, দেশের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার রক্ষায় সরকারের ভূমিকা এবং আত্মনির্ভর ভারতের ভাবনা নিয়ে বক্তব্য রাখতে পারেন বলে প্রশাসনিক মহলের ধারণা। পাশাপাশি, এই মঞ্চ থেকে স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্প ও পর্যটন পরিকাঠামো সংক্রান্ত একাধিক বার্তাও উঠে আসতে পারে।

Advertisement

রাজনৈতিক মহলের মতে, এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ শুধু একটি ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর মাধ্যমে ঐতিহ্য, আত্মসম্মান ও জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্নে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও এই অনুষ্ঠান ঘিরে উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো। অনেকের কথায়, ‘সোমনাথ মানেই ইতিহাস আর স্বাভিমান, আর সেই মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি আমাদের কাছে গর্বের বিষয়’।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে গির সোমনাথ জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির মধ্যে সমন্বয় রেখে প্রস্তুতি চলছে। ভিড় সামাল দিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি দর্শনার্থীদের সুবিধার দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।

Advertisement