• facebook
  • twitter
Monday, 9 March, 2026

দিল্লিতে চালু ‘রিং মেট্রো’, দুই নতুন করিডোরের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী

দিল্লি মেট্রোর পিঙ্ক লাইনের মোট দৈর্ঘ্য বেড়ে দাঁড়াল প্রায় ৭১.৫৬ কিলোমিটার

রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থায় বড় সংযোজন হল রবিবার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লি মেট্রোর দু’টি নতুন করিডোরের উদ্বোধন করেন এবং সবুজ পতাকা নেড়ে দেশের প্রথম ‘রিং মেট্রো’-র সূচনা করেন। এর ফলে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তকে চক্রাকার ভাবে যুক্ত করল মেট্রো নেটওয়ার্ক।

এদিন যে দু’টি নতুন করিডোর চালু হল তার মধ্যে একটি হল মজলিস পার্ক–মৌজপুর বাবরপুর (পিঙ্ক লাইন) করিডোর। এই অংশটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১২.৩ কিলোমিটার। অন্যটি দীপালি চক–মজলিস পার্ক (ম্যাজেন্টা লাইন) করিডোর, যার বিস্তৃতি প্রায় ৯.৯ কিলোমিটার। এই দুই করিডোর চালুর ফলে দিল্লি মেট্রোর পিঙ্ক লাইনের মোট দৈর্ঘ্য বেড়ে দাঁড়াল প্রায় ৭১.৫৬ কিলোমিটার। ফলে রাজধানীকে প্রায় সম্পূর্ণ চক্রাকার ভাবে যুক্ত করল মেট্রো পরিষেবা, যাকে ‘রিং মেট্রো’ বলা হচ্ছে।

Advertisement

মজলিস পার্ক–মৌজপুর বাবরপুর করিডোরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে বুরারি, ঝারোদা মাজরা, জগতপুর–ওয়াজিরাবাদ, সোনিয়া বিহার, খাজুরি খাস, ভজনপুরা এবং যমুনা বিহারের মতো এলাকা অন্তর্ভুক্ত। এই করিডোরে যমুনা নদীর উপর একটি নতুন সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি এখানে একটি বিশেষ ধরনের দ্বিতল ভায়াডাক্টও তৈরি করা হয়েছে, যেখানে একই সঙ্গে মেট্রো লাইন এবং সড়ক উড়ালপুল রয়েছে।

Advertisement

অন্যদিকে, দীপালি চক–মজলিস পার্ক করিডোর চালু হওয়ায় ম্যাজেন্টা লাইনের বিস্তৃতি বেড়ে প্রায় ৪৯ কিলোমিটার হয়েছে। এই অংশটি বোটানিক্যাল গার্ডেন–কৃষ্ণ পার্ক এক্সটেনশন করিডোরের সম্প্রসারণ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। নতুন এই অংশে মধুবন চক, উত্তর পিতমপুরা–প্রশান্ত বিহার, হায়দারপুর গ্রাম, হায়দারপুর বদলি মোড় এবং ভালস্বার মতো একাধিক উঁচু স্টেশন রয়েছে।

মেট্রোর নতুন এই সংযোগ চালু হওয়ায় বিশেষ করে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিল্লির বাসিন্দারা বড় সুবিধা পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। বুরারি, জগৎপুর–ওয়াজিরাবাদ, খাজুরি খাস, ভজনপুরা এবং যমুনা বিহারের মতো এলাকায় যাতায়াত আরও সহজ হবে।

এছাড়াও এদিন প্রধানমন্ত্রী প্রায় ৩৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার একাধিক পরিকাঠামো ও আবাসন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পাশাপাশি প্রায় ১৮ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও দুটি মেট্রো প্রকল্পেরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এতে রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement