চুক্তি অনুযায়ী, ভারত ও রাশিয়া প্রয়োজনে একে অপরের ভূখণ্ডে সেনা মোতায়েন করতে পারবে। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কয়েক হাজার সেনা মোতায়েনের সুযোগ থাকবে বলেও জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি যুদ্ধজাহাজ ও রণতরী ব্যবহারের ক্ষেত্রেও পারস্পরিক সহায়তা বাড়বে, যা নৌবাহিনীর যৌথ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে।
Advertisement
এই চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ দিক হল লজিস্টিক বা প্রয়োজনীয় সহায়তা বিনিময়। এর আওতায় জ্বালানি, জল, মেরামতি পরিষেবা এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিমান চলাচল সংক্রান্ত পরিষেবা এবং আকাশপথ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও সহযোগিতা বাড়বে। এর ফলে যৌথ সামরিক মহড়া ও প্রশিক্ষণ আরও সহজ এবং কার্যকর হবে।
Advertisement
ঐতিহাসিকভাবে ভারত ও রাশিয়ার সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় রাশিয়ার সমর্থন ভারতের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেই বন্ধুত্বকে আরও এগিয়ে নিতেই এই চুক্তি কার্যকর করা হয়েছে।
তবে দুই দেশের পক্ষ থেকেই জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগ যুদ্ধের উদ্দেশ্যে নয়। বরং প্রশিক্ষণ, যৌথ মহড়া এবং সামরিক সহযোগিতা আরও উন্নত করাই এর মূল লক্ষ্য। আপাতত এই চুক্তি পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে, পরে পারস্পরিক সম্মতিতে তা বাড়ানো হতে পারে।
Advertisement



