প্রয়াত প্রবীণ অভিনেতা নানা পটেকরের (Nana Patekar) শেষকৃত্য পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন করার কথা ঘোষণা করল মহারাষ্ট্র সরকার। বৃহস্পতি ভোরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় ৭৫ বয়সি অভিনেতার। তাঁর (Nana Patekar) প্রয়াণে হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রজগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। অভিনেতা, পরিচালক, নেতা-সহ চলচ্চিত্রজগতের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: নানা পাটেকরের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ মোদীর, শোকস্তব্ধ বলিউড অভিনেতারা
মহারাষ্ট্রের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আশিস শেলার জানিয়েছেন, মারাঠি থিয়েটার এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রে নানা পাটেকরের (Nana Patekar) অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসাবেই তাঁকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হবে।
গোয়ায় গুরুতর হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন নানা পাটেকর (Nana Patekar) । তাঁকে দ্রুত মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে সিপিআর দিয়ে তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষরক্ষা করা যায়নি। নানা পাটেকরের (Nana Patekar) প্রয়াণের পর তাঁর শেষকৃত্য পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার।
এক্স-এ একটি পোস্টে আশিস শেলার লেখেন, মারাঠি নাট্যজগতের পাশাপাশি মারাঠি ও হিন্দি চলচ্চিত্রে নানা পাটেকরের (Nana Patekar) ‘অতুলনীয় অবদান’-এর কথা বিবেচনা করেই তাঁর শেষকৃত্য পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
<blockquote class=”twitter-tweet”><p lang=”mr” dir=”ltr”>अभिनेते नाना पाटेकर यांचे मराठी नाटकासह मराठी, हिंदी सिनेमातील अतुलनीय योगदान पाहता त्यांचे अंत्यसंस्कार "शासकीय इतमामात" करण्याचा निर्णय आम्ही केला आहे.</p>— Adv. Ashish Shelar – ॲड. आशिष शेलार (@ShelarAshish) <a href=”https://x.com/ShelarAshish/status/2108043017789771906?ref_src=twsrc%5Etfw”>October 8, 2026</a></blockquote> <script async src=”https://platform.x.com/widgets.js” charset=”utf-8″></script>
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শেলার বলেন, নানা পাটেকরের (Nana Patekar) মৃত্যু শিল্পজগতের জন্য এক বিরাট ক্ষতি। গলি থেকে উঠে এসে নিজের প্রতিভা ও অধ্যবসায়ের জোরে মারাঠি থিয়েটার এবং পরবর্তী সময়ে মারাঠি ও হিন্দি চলচ্চিত্রে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছিলেন তিনি। নানা পাটেকরের প্রয়াণে নিজের, মহারাষ্ট্র সরকার এবং সংস্কৃতি দপ্তরের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করেন শেলার।
<blockquote class=”twitter-tweet”><p lang=”mr” dir=”ltr”>एका साचात बांधता येईल, असं नाना पाटेकर हे व्यक्तिमत्त्व नव्हतंच! अभिनयाइतकाच समाजातील विविध प्रश्नांवर त्यांचा अधिकार, प्रेम आणि तितकीच मनापासूनची involvement होती. सैनिकांचा विषय असो, पोलिसांच्या मदतीचा प्रश्न असो, शेतकऱ्यांच्या व्यथा असोत किंवा युवकांना व्यसनमुक्तीच्या वाटेवर नेण्याचा प्रयत्न असो—जिथे समाजाला नानांची गरज होती, तिथे तिथे ते ठामपणे उभे राहिले.</p>— Adv. Ashish Shelar – ॲड. आशिष शेलार (@ShelarAshish) <a href=”https://x.com/ShelarAshish/status/2108066968855367873?ref_src=twsrc%5Etfw”>October 8, 2026</a></blockquote> <script async src=”https://platform.x.com/widgets.js” charset=”utf-8″></script>
১৯৭৮ সালের ‘গমন’ ছবির মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন নানা পাটেকর (Nana Patekar) । পরবর্তী সময়ে ‘পরিন্দা’, ‘প্রহার’, ‘আঙ্গার’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘তিরঙ্গা’, ‘খামোশি’ এবং ‘আব তক ছাপ্পান’-এর মতো ছবিতে তাঁর শক্তিশালী অভিনয় দর্শকদের মনে বিশেষ জায়গা করে নেয়।
আরও পড়ুন: প্রয়াত অভিনেতা নানা পাটেকর, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু, বয়স হয়েছিল ৭৫
মারাঠি ও হিন্দি—দুই ভাষার চলচ্চিত্রেই নিজের অভিনয়ের স্বতন্ত্র ছাপ রেখেছিলেন তিনি। চলচ্চিত্রে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার আগেই থিয়েটারের মঞ্চে নিজের অভিনয় দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন নানা পাটেকর (Nana Patekar) । তাই তাঁর দীর্ঘ অভিনয়জীবনের সঙ্গে মঞ্চও ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিল।
দেখুন: <iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/t9o69VyKXPI?si=p4mEfCyNMTYuubHU” title=”YouTube video player” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share” referrerpolicy=”strict-origin-when-cross-origin” allowfullscreen></iframe>