কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসার কর্মসংস্থান কমাবে না, বরং আরও বেশি কাজের সুযোগ তৈরি করবে বলে আশ্বাস দিলেন এন চন্দ্রশেখরন। তাঁর মতে, এই প্রযুক্তির ফলে কর্মীরা ধীরে ধীরে কম দক্ষতার কাজ থেকে সরে গিয়ে উচ্চমূল্যের এবং আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।
টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এক বিশেষ আলোচনায় বলেন, ‘প্রযুক্তির প্রতিটি বড় পরিবর্তনের সময়ই কর্মসংস্থান নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়। কিন্তু ইতিহাস বলছে, নতুন প্রযুক্তি শেষ পর্যন্ত আরও বেশি কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে।’
Advertisement
তিনি জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মূলত পুনরাবৃত্তিমূলক এবং সময়সাপেক্ষ কাজগুলি দ্রুত সম্পন্ন করতে সাহায্য করবে। এর ফলে কর্মীরা আরও সৃজনশীল, কৌশলগত এবং মূল্যবান কাজে নিজেদের সময় দিতে পারবেন। এতে সংস্থার উৎপাদনশীলতা যেমন বাড়বে, তেমনই কর্মীদের দক্ষতা এবং গুরুত্বও বৃদ্ধি পাবে।
Advertisement
চন্দ্রশেখরনের মতে, আগামী দিনে কর্মক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আসবে। কর্মীদের নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। নিজেদের দক্ষতা নিয়মিত উন্নত করতে হবে। তিনি বলেন, ‘কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করবে, তারাই ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে থাকবে।’
তিনি আরও জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু প্রযুক্তি ক্ষেত্রেই নয়, উৎপাদন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, আর্থিক পরিষেবা এবং গ্রাহক পরিষেবার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এর ফলে কাজের ধরন বদলাবে এবং নতুন ধরনের দায়িত্বের সৃষ্টি হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসার ভারতের অর্থনীতি এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিচ্ছে। সঠিক প্রশিক্ষণ এবং প্রস্তুতি থাকলে এই প্রযুক্তি কর্মীদের জন্য আরও উন্নত এবং স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।
Advertisement



