• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 4 July, 2026

সেই চন্দনের অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি কোটির লেনদেন ! ঝানু গোয়েন্দাদেরও চক্ষু চড়কগাছ 

কলকাতা , ২১ ফেব্রুয়ারি — সেই চন্দন মন্ডলের আকাউন্ট থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন? লেনদেনের বহর দেখে চক্ষু চড়কগাছ  দুঁদে  গোয়েন্দাদের। সিবিআই তদন্তের মুখে চন্দন নিজেই স্বীকার করেছে তার কীর্তি। এই টাকা চন্দনের কাছে এলো কথা থেকে ? অযোগ্য চাকরি প্রার্থীদের কাছে চাকরি বিক্রি করে।   নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম থাকা চন্দন প্রথম থেকেই সিবিআইয়ের স্ক্যানারে ছিলেন।

সেই চন্দনের অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি কোটির লেনদেন ! ঝানু গোয়েন্দাদেরও চক্ষু চড়কগাছ 

কলকাতা , ২১ ফেব্রুয়ারি — সেই চন্দন মন্ডলের আকাউন্ট থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন? লেনদেনের বহর দেখে চক্ষু চড়কগাছ  দুঁদে  গোয়েন্দাদের। সিবিআই তদন্তের মুখে চন্দন নিজেই স্বীকার করেছে তার কীর্তি। এই টাকা চন্দনের কাছে এলো কথা থেকে ? অযোগ্য চাকরি প্রার্থীদের কাছে চাকরি বিক্রি করে।  

নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম থাকা চন্দন প্রথম থেকেই সিবিআইয়ের স্ক্যানারে ছিলেন। সেই সময়েই চন্দনের লেনদেন খতিয়ে দেখে ৮ কোটি টাকার হদিস পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা।

চন্দনকে শুক্রবার গ্রেফতার করেছে সিবিআই।  তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে আরও ৮ কোটির হদিস পাওয়া গিয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর।

মঙ্গলবার চন্দন এবং আর এক সাগরেদ সুব্রত সামন্ত রায়কে  আদালতে পেশ করা  হয়েছে। চন্দনের আইনজীবী এসে না পৌঁছনোয় আদালতে সুব্রতর শুনানি শুরু হয়। সুব্রতর আইনজীবী বলেন, ‘‘অগস্ট মাস থেকে সুব্রতকে বহুবার  তলব করেছে সিবিআই এবং তিনি প্রতি বারই হাজিরা দিয়েছেন। চার্জশিটে সুব্রতর নাম নেই। তা-ও তদন্তে সকল প্রকারের সহযোগিতা করা হচ্ছে। সুব্রত এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত নন।’’ আদালতে সুব্রতর জামিনের আবেদনও জানান তাঁর আইনজীবী।তবে সুব্রত যে একজন দালাল, সেকথা তদন্তকারীদের কাছে জলের মত পরিষ্কার। 

সূত্রের খবর , ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে বা টাকার বিনিময়ে বহু অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের তিনি চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। সিবিআই আইনজীবী আরও জানান, চাকরি দেওয়ার বিনিময়ে প্রচুর টাকা তোলা হয়েছিল। তাই এখন যদি সুব্রতকে  জামিন দিলে  তদন্তের ক্ষতি পারে বলেমনে করছেন তদন্তকারীদের।  

শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ থাকা চন্দনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শুক্রবার সকালে নিজাম প্যালেসে ডেকে পাঠিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। সিবিআইয়ের অভিযোগ ছিল, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে গিয়েছেন চন্দন। তার পরই তাঁকে গ্রেফতার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।