• facebook
  • twitter
Monday, 6 April, 2026

কেন সময়মতো শিক্ষা ঋণের প্রয়োজন?

ভর্তির পরেই শুরু আসল লড়াই— টাকার চাপে চূর্ণ মেধার মূল্য

ভারতে কলেজে ভর্তির সবচেয়ে কঠিন ধাপ বলে দীর্ঘদিন ধরে মনে করা হত প্রবেশিকা পরীক্ষা। কিন্তু বাস্তব চিত্র এখন বদলাচ্ছে। ক্রমশই স্পষ্ট হচ্ছে— আসল চাপ শুরু হয় ভর্তি নিশ্চিত হওয়ার পর, যখন অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল অর্থ জোগাড় করতে হয় পরিবারগুলিকে।

অফার লেটার হাতে আসার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় সময়ের সঙ্গে দৌড়। কয়েক দিনের মধ্যেই জমা দিতে হয় ভর্তি ফি ও প্রথম কিস্তি— যার পরিমাণ অনেক ক্ষেত্রেই একটি পরিবারের বহু বছরের সঞ্চয়ের সমান, বা ঋণ নেওয়ার ক্ষমতার সীমা ছুঁয়ে ফেলে। সেই মুহূর্তে আর মেধা যাচাই হয় না, বরং পরীক্ষা হয় একটাই— কত দ্রুত টাকা জোগাড় করা যায়।

Advertisement

ভর্তির খবর প্রথমে স্বস্তি এনে দিলেও, খুব দ্রুত তা জায়গা ছেড়ে দেয় নতুন উদ্বেগকে। আলোচনা সরে যায় কাট-অফ নম্বর থেকে নগদ টাকার দিকে। পরিবারগুলিকে তখন এমন এক আর্থিক প্রক্রিয়ার মধ্যে ঢুকতে হয়, যার গতি ও সময়সীমা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সময়সীমার সঙ্গে প্রায়ই মেলে না।

Advertisement

শিক্ষাঋণের জন্য আবেদন, প্রয়োজনীয় নথি জমা, বারবার অনুসরণ— সব কিছু চলতে থাকে সমান্তরালভাবে। কিন্তু ভর্তির নির্দিষ্ট সময়সীমা অপেক্ষা করে না। ফলে এই ব্যবধানেই নির্ধারিত হতে থাকে ভবিষ্যৎ— যেখানে সাফল্য আর শুধু মেধার উপর নির্ভর করে না, বরং নির্ভর করে কত দ্রুত অর্থের জোগান সম্ভব।

Advertisement