পুজোর বক্স অফিসে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের বাজি ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’। ছবির প্রচারঝলক ইতিমধ্যেই দর্শকদের নজর কেড়েছে। সেই ছবি মুক্তির আগেই নতুন ছবির ঘোষণা করে ফেললেন পরিচালক। অর্ণব রায়ের লেখা ‘শাকচুন্নি’ গল্পের স্বত্ব কিনে নিয়েছে সৃজিতের প্রযোজনা সংস্থা ম্যাচকাট। গল্পটি বড়পর্দায় নাকি সিরিজ হিসেবে আসবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
সাহিত্যনির্ভর কাজের প্রতি সৃজিতের আগ্রহ নতুন নয়। এর আগে একাধিক সাহিত্যকর্মকে পর্দায় তুলে ধরেছেন তিনি। ফলে তাঁর নতুন কোনও সাহিত্যকর্মের স্বত্ব কেনার খবর ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহ তৈরি হয়। ‘শাকচুন্নি’ নিয়েও সেই প্রত্যাশা বাড়ছে।
অর্ণব রায়ের লেখা এই গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২৪ সালে। সৃজিতের কথায়, বহুদিন ধরেই অর্ণবের লেখা নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে ছিল তাঁর। এমনকি ‘মহাভারত মার্ডার্স’ নিয়েও একসময় কাজ করার কথা হয়েছিল। পরে নানা কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। এরপর ‘যাত্রিক’ নিয়েও কাজ করার ইচ্ছে ছিল পরিচালকের।
এর মধ্যেই অর্ণবের ‘শাকচুন্নি’ প্রকাশ্যে আসে। গল্পটি পড়ার পরই তাঁর পছন্দ হয়ে যায়। সৃজিত জানিয়েছেন, গত দু’বছর ধরে বিভিন্ন প্রযোজনা সংস্থার কাছে গল্পটি নিয়ে প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। কয়েকটি সংস্থা আগ্রহও দেখিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নিজের প্রযোজনা সংস্থার মাধ্যমেই গল্পটির স্বত্ব কিনে নিলেন পরিচালক।
মঙ্গলবার নতুন কাজের ঘোষণা করে সৃজিত জানান, ‘শাকচুন্নি’র স্বত্ব নিয়ে আগে একটি প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে চুক্তি ছিল। সেই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তাঁর প্রযোজনা সংস্থা ম্যাচকাট গল্পটির স্বত্ব কিনেছে। খুব শিগগিরই গল্পটিকে পর্দার উপযোগী করে তোলার কাজ শুরু হবে। তবে সেটি সিনেমা নাকি সিরিজ হিসেবে তৈরি হবে, সেই সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।
অন্যদিকে নিজের গল্প নিয়ে সৃজিতের সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়ে খুশি লেখক অর্ণব রায়ও। তাঁর কথায়, বহুদিন ধরেই সৃজিতের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছে ছিল। ‘শাকচুন্নি’ সম্পূর্ণ বাঙালিয়ানায় মোড়া গল্প। তাঁর বিশ্বাস, এই গল্পের আবহ ও চরিত্রকে পর্দায় যথাযথ ভাবে তুলে ধরতে সৃজিতই উপযুক্ত পরিচালক। তাই পরিচালকের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছেন তিনিও।




