• facebook
  • twitter
Thursday, 5 March, 2026

‘পিকলু’—সময়ের ব্যস্ততায় হারিয়ে যাওয়া এক সম্পর্কের গল্প

দীর্ঘ আট বছর পর মুক্তির পথে পাভি রায়চৌধুরীর প্রথম ছবি ‘পিকলু’। ১৫ মার্চ কলকাতার নন্দন–৩-এ বিশেষ প্রদর্শনীর মাধ্যমে ঘোষণা হবে ছবির মুক্তির তারিখ।

নিজস্ব চিত্র

শান্তিনাথ মাহাতোর নিবেদন, সিলভারলাইন মোশন পিকচার্স প্রযোজিত এবং পার্থ ডি মিত্র পরিচালিত ছবি ‘পিকলু’। কর্মব্যস্ততা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং আধুনিক সমাজের বাস্তবতার মধ্যেই তৈরি হয়েছে এই ছবির গল্প।

আজকের সমাজে মানুষ এতটাই ব্যস্ত যে অনেক সময় সম্পর্কের মূল্যবোধ হারিয়ে যেতে বসেছে। প্রতিযোগিতার দৌড়ে এগিয়ে থাকার জন্য মানুষ ভুলে যাচ্ছে নিজের কাছের মানুষদের। সাফল্যের এই নিরন্তর লড়াইয়ে প্রশ্ন উঠছে—মানুষ কি সত্যিই সেই কাঙ্ক্ষিত সুখ খুঁজে পাচ্ছে? নাকি এই দৌড়ই হয়ে উঠছে জীবনের একমাত্র সত্য? এই সামাজিক বাস্তবতাকেই তুলে ধরা হয়েছে ‘পিকলু’ ছবিতে।

Advertisement

ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র চিত্রাঙ্গদা চক্রবর্তী, সংক্ষেপে সিসি—একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী মডেল। বড় হওয়ার স্বপ্নই তার জীবনের লক্ষ্য। একসময় স্টুডিও ফ্লোরে তার সঙ্গে দেখা হয় বিজ্ঞাপনী সংস্থার কর্তা অর্কর। সিসিকে দেখেই অর্ক বুঝতে পারে, এই মডেলকে নিয়ে কাজ করলে তার ব্যবসায় সাফল্য আসতে পারে। শুরু হয় তাদের একসঙ্গে কাজ করা।

Advertisement

কাজের সূত্রে ধীরে ধীরে কাছাকাছি আসে দুজন। একসময় অর্ক সিসিকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে সিসি তা প্রত্যাখ্যান করতে পারে না। শুরু হয় তাদের সংসার। কিছুদিনের মধ্যেই জন্ম নেয় তাদের কন্যা—পিকলু। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অর্ক তার ব্যবসায় এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়ে যে সংসারের প্রতি তার আগ্রহ কমতে থাকে। অন্যদিকে সিসিও নিজের জীবনে নতুন করে কাজ শুরু করতে চায়। সংসারের ভেতরে জমতে থাকে অশান্তি। সেই টানাপোড়েনের মধ্যেই বড় হতে থাকে ছোট্ট পিকলু।

মায়ের স্নেহ পেলেও বাবার সান্নিধ্য থেকে অনেকটাই দূরে থাকে সে। নিজের কল্পনার জগতে তৈরি করে নেয় এক আলাদা পৃথিবী, যেখানে তার মা ও বাবা দুজনেই তার পাশে। শেষ পর্যন্ত কি পিকলু ফিরে পাবে তার বাবা-মাকে? স্বাভাবিক হবে কি তার জীবন? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে দেখতে হবে ‘পিকলু’—যে ছবি আজকের প্রজন্মকে তাদের ভুলের আয়না দেখাবে।

Advertisement