দেবজ্যোতি বোস
পারিবারিক সম্পর্ক ছিল আমাদের। আমার গুরুদেব ওস্তাদ আমজাদ আলি খানের বম্বেতে যখন কোনও থাকার জায়গা ছিল না, তখন তিনি আশাজির বাড়িতে থেকে অনুষ্ঠান করতেন। আশাজির ভাই হৃদয়নাথ মঙ্গেশকরের ছেলে আদিনাথ মঙ্গেশকর শরদ শিখেছিলেন আমার গুরুদেবের কাছ থেকে। তবলা শিখেছিলেন আমার দাদার কাছ থেকে। সেই থেকেই একটা পারিবারিক সম্পর্ক তৈরি হয়। সবসময়েই যোগাযোগ থাকে। বম্বে গেলে দেখা করতাম।
Advertisement
আশাজির সঙ্গে আমার প্রথম আলাপে আশাজি আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, আমি কি আমার গুরুদেবের মতো রেওয়াজ করি? কারণ তিনি আমার গুরুদেবের অক্লান্ত রেওয়াজ করার কথা জানতেন।
Advertisement
পরবর্তীকালে দীননাথ মঙ্গেশকর অ্যাওয়ার্ড আমার দাদা একমাত্র বাংলা থেকে পেয়েছিলেন। সেই সূত্রে সবসময়ই যোগাযোগ ছিল। লতাজি অসুস্থ হওয়ার সময় খবর নিয়ে সেই খবর দিতাম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আশাজির সঙ্গেও তাই খুবই স্নেহের আর ভালোবাসার একটা সম্পর্ক ছিল।
Advertisement



