মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে ইস্টবেঙ্গলের জট কাটল

আবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পাশে রক্ষাকর্তা হিসাবে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর চেষ্টায় ও হস্তক্ষেপে ক্লাবের ইনভেস্টর হিসাবে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল তা মিটে গেল।

এবারে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ইনভেস্টর হিসাবে এগিয়ে এল ইমামি গ্রুপ। বুধবার নবান্নে আলোচনার মধ্যে দিয়ে এই সমস্যার অবসান ঘটল।

ইমামি গ্রুপের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মুখোমুখি হয়েছিলেন লাল হলুদ শিবিরের কর্মকর্তারাও। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধে ইমামি গ্রুপের কর্মকর্তারা এগিয়ে আসেন গাঁটছড়া বাঁধতে।


আর এই কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই।

নবান্নে আলোচনার সময় মুখ্যমন্ত্রী বাংলার ফুটবলের ঐতিহ্যের কথার পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গৌরবময় অধ্যায়ের কথাও প্রকাশ করেন। এই কথা শোনার পরেই ইমামি গ্রুপের কর্মকর্তারা আবেগ প্রবণ হয়ে যান।

তাঁরা স্বীকার করেন বাংলার ফুটবলের যে গর্বের কথা আমরা সব সময় শুনি তার জন্য সত্যিই আমরা গর্বিত।

ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পাশে দাঁড়াতে পারলে আমরাও খুশি হতে পারব মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধকে মর্যাদা দিতে চাই। সেই কারণে বিনিয়োগ করতে কোনও রকম অসুবিধা হবে না।

আগামী মরশুমে আইপিএল ফুটবলে ইস্টবেঙ্গলে খেলার ক্ষেত্রে আর কোনও সমস্যা দেখা দেবে না মুখ্যমন্ত্রী জানান ইমামি গ্রুপের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কর্মকর্তারা এখানে চা খেতে এসেছিলেন।

তখনই চায়ের আসরে সবরকম আলোচনার ভিত্তিতেই একটা জায়গায় পৌঁছানো গেছে আশা করা যায় ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল তার সমাধান হয়ে যাবে।

ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের অন্যতম কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার ও সচিব কল্যাণ মজুমদার মুখ্যমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, তিনি সবসময়ই ক্লাবের উন্নয়নে আমাদের পাশে থাকেন।

যখনই কোনও রকম অসুবিধা হয় ঠিক সেই সময় নিজে এগিয়ে এসে সমাধানের পথ খুঁজে দেন। একই সঙ্গে ইমামি গ্রুপের কর্মকর্তাদেরও অভিনন্দনও জানান।

আশা করব ইমামি গ্রুপের এই সহযোগিতা আমাদের কাছে বড় অনুপ্রেরণা হবে।

শ্রীসিমেন্ট ইনভেস্টার হিসাবে হাত গুটিয়ে নেওয়ার পরে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে অন্ধকার নেমে এসেছিল। তারপর থেকেই বিভিন্ন শিল্প সংস্থার সঙ্গে কথা বলা হলেও, কারো সঙ্গে পাকাপাকি সিদ্ধান্তে আসা হয়নি।

এমনকি বিসিসিআইয়ের সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি এখনও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ম্যাঞ্চেস্টার সিটির সঙ্গে ক্লাবকে কিভাবে যুক্ত করা যায়।

সৌরভ নিজে বলেছেন, এই কাজটা অনেকটাই এগিয়ে গেছে আশা করি আগামী ১০ ১২ দিনের মধ্যে একটা সবুজ সংকেত আসতে পারে হঠাৎই মুখ্যমন্ত্রীর সহযোগিতায় ইমামি গ্রুপ বিনিয়োগ করতে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে জোট বাঁধায় দল গঠনে আর কোনও রকম সমস্যার মুখে পড়তে হবে না। এই বিশ্বাসের কথা জানালেন ইস্টবেঙ্গলের কর্মকর্তারা।