• facebook
  • twitter
Saturday, 17 January, 2026

এবার থেকে মা সারদার ভিটে জয়রামবাটিতে যাবে ট্রেনে

সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে বাঁকুড়া থেকে ছেড়ে রাত ৮ টায় পৌঁছবে জয়রামবাটিতে

এবার থেকে একটি ট্রেনে চেপেই পৌঁছে যাওয়া যাবে জয়রামবাটিতে। রেলপথে জুড়ে যাচ্ছে সারদা মায়ের স্মৃতি বিজড়িত জয়রামবাটি। এতদিন বাঁকুড়া থেক ময়নাপুর পর্যন্ত একটি লোকাল মেমু ট্রেন যাতায়াত করত। সেই ট্রেনটির রুট সম্প্রসারিত হয়ে জয়রামবাটি পর্যন্ত করা হচ্ছে। রবিবার তা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১৯ তারিখ অর্থাৎ সোমবার থেকে নিয়মিত যাতায়াত করবে এই ট্রেন।

২০০০-০১ অর্থবর্ষে রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই বিষ্ণুপুর তারকেশ্বর রেলপথের ঘোষণা করেছিলেন, দাবি শাসক দলের। সমীক্ষা শুরু হয়েছিল ২০০২-০৩ সালে। সেই ট্রেনটি দিনে একবার বাঁকুড়া ও জয়রামবাটির মধ্যে যাতায়াত করবে। সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে বাঁকুড়া থেকে ছেড়ে রাত ৮ টায় পৌঁছবে জয়রামবাটিতে।

Advertisement

রাত ৮টা ১০ মিনিটে জয়রামবাটি থেকে ছেড়ে রাত ১০টায় বাঁকুড়ায় পৌঁছবে। বিষ্ণুপুরের স্টেশন ম্যানেজার দীপককুমার পাল জানিয়েছেন, ‘বাঁকুড়া-ময়নাপুর মেমু ট্রেন জয়রামবাটি পর্যন্ত সম্প্রসারণের নির্দেশিকা এসেছে। ১৯ জানুয়ারি থেকে নিয়মিত যাত্রী পরিষেবা শুরু হবে। ভবিষ্যতে যাত্রীসংখ্যা ও চাহিদা অনুযায়ী সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।‘

Advertisement

বাঁকুড়া ও জয়রামবাটির মধ্যে ৮টি স্টেশনে দাঁড়াবে এই ট্রেন। ভেদুয়াশোল, ওন্দাগ্রাম, রামসাগর, বিষ্ণুপুর, বিরসা মুণ্ডা, গোকুলনগর-জয়পুর, ময়নাপুর ও বড়গোপীনাথপুর এই স্টেশনগুলিতে ট্রেন দাঁড়াবে। বাঁকুড়া থেকে ময়নাপুর পর্যন্ত রেল যোগাযোগ ছিল। এবার ময়নাপুরের সঙ্গে বড়গোপীনাথপুর জয়রামবাটি জুড়ে গেল।

এই অংশের রেলপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫ কিমি। তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর রেল প্রকল্পের অংশও এটি। রেল সংযোগের ফলে পর্যটকদের জয়রামবাটি পৌঁছতে সুবিধা হবে। সেই রকম ভাবে বাঁকুড়া শহরে আসতেও সুবিধা হবে ওই এলাকার বাসিন্দাদের।

তৃণমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুব্রত দত্ত জানিয়েছেন, ‘বিষ্ণুপুর-তারকেশ্বর রেলপথের ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যিনি উদ্বোধন করছেন, তিনি প্রকল্পের ঘোষণাকারী নন। কৃতিত্ব নিজের নামে নিতে চাইছেন।‘ অন্যদিকে বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন, ‘মা সারদার জন্মভূমি জয়রামবাটিতে ট্রেন পৌঁছনো ঐতিহাসিক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১৮ জানুয়ারি বাঁকুড়াবাসীর স্বপ্নপূরণ করবেন।‘

Advertisement