• facebook
  • twitter
Monday, 16 March, 2026

আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচন, গণনা ৪ মে

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ দুই দফায় হবে। ২৩ ও ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ, ফল ঘোষণা ৪ মে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত পূর্ণ সূচি ও ভোটের প্রস্তুতির বিস্তারিত জানুন।

এসআইআর আবহে রাজ্য জুড়ে মানুষের চূড়ান্ত অসন্তোষের মধ্যেই রবিবার বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৩ এপ্রিল রাজ্যের বহু প্রতীক্ষিত সেই বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। মাত্র দুই দফায় রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হবে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট গ্রহণের পর দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফায় রাজ্যের ১৬ জেলায় এবং দ্বিতীয় দফায় বাকি ৯ জেলায় ভোটগ্রহণ করা হবে। এর আগে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন সাত-আট দফায় করা হয়েছিল। যদিও ২০০১ সালে মাত্র এক দফায় ভোটগ্রহণ করা হয়েছিল। সেবারই রাজ্যের নির্বাচনে প্রথম ইভিএম ব্যবহার শুরু হয়েছিল। দীর্ঘ ২৫ বছর পর এই প্রথম এতো কম দফায় ভোটগ্রহণ করা হবে।

কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে, ভোট প্রক্রিয়ার লক্ষ্য একমাত্র অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। সব বুথে একশো শতাংশ ওয়েব কাস্টিং করা হবে। ১৭ সি ধারা অনুযায়ী ভোটের শতকরা হার দেখা যাবে। প্রতি দফায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর প্রতি দুই ঘন্টা অন্তর ভোটগ্রহণের হার প্রকাশ করা হবে। পোস্টাল ব্যালট গণনা ইভিএমের দুই রাউন্ডের গণনার আগে হবে। গণনার পর পরাজিত প্রার্থী ভিভিপ্যাট পরীক্ষা করতে পারবেন। কোনওরকম ফেক নিউজ বা অপপ্রচারের ক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, সংবেদনশীল বুথে বিশেষ নজরদারি এবং ভোটকেন্দ্রে ন্যূনতম পরিকাঠামো নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি প্রবীণ নাগরিক, প্রতিবন্ধী ভোটারদের জন্য বিশেষ সুবিধা এবং প্রয়োজন হলে পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থাও রাখা হবে।

Advertisement

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের দিন ভোটারদের পরিচয়পত্র হিসেবে এপিক কার্ড ছাড়াও আধার, পাসপোর্ট, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ মোট ১২ ধরনের নথি গ্রহণযোগ্য হবে। ভোটের আগে প্রত্যেক ভোটারের বাড়িতে ভোটার স্লিপ পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, প্রচার এবং জোট রাজনীতি ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পারদ আরও চড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

প্রথম দফার গেজেট নোটিফিকেশন ৩০ মার্চ এবং দ্বিতীয় দফার জন্য ২ এপ্রিল জারি করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ প্রথম দফায় ৬ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফায় ৯ এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই প্রথম দফায় ৯ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফায় ১০ এপ্রিল। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখ প্রথম দফায় ৯ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফায় ১৩ এপ্রিল।

রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৬৮টি তফশিলি জাতি এবং ১৬টি কেন্দ্র তফশিলি উপজাতি সংরক্ষিত। এই মুহূর্তে রাজ্যের ভোটার তালিকায় মোট ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৪৫ লক্ষ ৬১ হাজার ১৫২জন থাকলেও তালিকা অনুসারে সাধারণ ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৬৯০ জন। পরে আরও সাপ্লিমেন্টারি তালিকা যুক্ত হবে। বর্তমান তালিকায় থাকা মোট ভোটারদের মধ্যে ৮৫ বছরের উর্ধে ভোটারের সংখ্যা রয়েছে ৩ লক্ষ ৭৮ হাজার ৯৭৯জন। এছাড়া ৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৯ জন প্রতিবন্ধী এবং ১১৫২জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ৫ লক্ষ ২৩ হাজার ২২৯ জন নতুন ভোটার।

২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সময় রাজ্যে মোট ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৮০হাজার ৫৩০টি। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮০,৭১৯টি। বর্তমানে রাজ্যে মোট ভোট কর্মীর সংখ্যা ১ লক্ষ ৮ হাজার ৫৪৩ জন।

আগামী ২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার প্রথম দফায় মোট ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, প্রথম দফায় সমগ্র উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির ভোটগ্রহণ হয়ে যাবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহ জেলার পাশাপাশি প্রথম দফায় জঙ্গলমহলেও নির্বাচন রয়েছে। ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার পাশাপাশি বীরভূম, মুর্শিদাবাদে প্রথম দফায় নির্বাচন। পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও প্রথম দফায় ভোট। আবার দুই বর্ধমানে দুই দফাতেই ভোটগ্রহণ করা হবে। প্রথম দফায় পশ্চিম বর্ধমানে ভোট রয়েছে।

দ্বিতীয় দফার নির্বাচন আগামী ২৯ এপ্রিল, বুধবার। ওই দিন কলকাতা-সহ পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভোটগ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতেই নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যে এসে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছে। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে অন্যান্য দল এক বা দুই দফার ভোটের পক্ষে আবেদন করেছিল। কমিশন মূলত বিরোধী দলের প্রস্তাব মেনে নিয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, ‘সকল স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এবার দুই দফায় নির্বাচন করা প্রয়োজন। তাহলে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সহিংসতা মুক্ত হবে।’ বৈঠকে জ্ঞানেশ কুমার আরও জানান, ২০২১ সালের নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী সহিংসতায় অভিযুক্ত বা সক্রিয় না থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের নাম ইতিমধ্যেই কমিশন চেয়েছে। সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ভোটের তারিখ ঘোষণার ঠিক আগে রাজ্য সরকার পুরোহিত ও মুয়াজ্জিনদের ভাতা বৃদ্ধি করেছে। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। দিল্লির বিজ্ঞান ভবনের সাংবাদিক বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে জ্ঞানেশ কুমারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, ‘মডেল কোড অব কন্ডাক্ট ভোটের তারিখ ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয়েছে। তার আগে যে কোনও সরকারি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। তবে এখন থেকে মডেল কোড অব কন্ডাক্ট কার্যকর।’

উল্লেখ্য, আগামী ৭ মে রাজ্য বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় এখনও বহু বৈধ ভোটারের নাম তালিকায় ওঠেনি। এখনও রাজ্যের প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটার বিবেচনাধীন রয়েছেন। এমতাবস্থায় ভোটারদের তালিকা চূড়ান্ত না হওয়া অবধি নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্যবাসীর একটি বৃহৎ অংশের আপত্তি সত্ত্বেও অসম্পূর্ণ ভোটার তালিকা নিয়েই ভোট প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।

 

প্রথম দফায় কোথায় কোথায় ভোট:

কোচবিহার (৯টি আসন)
মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি, তুফানগঞ্জ।

আলিপুরদুয়ার (৫টি আসন)
কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা, মাদারিহাট।

জলপাইগুড়ি (৭টি আসন)
ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, মাল, নাগরাকাটা।

দার্জিলিং ও কালিম্পং (৬টি আসন)
কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি, ফাঁসিদেওয়া।

উত্তর দিনাজপুর (৯টি আসন)
চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ, ইটাহার।

দক্ষিণ দিনাজপুর (৬টি আসন)
কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর, হরিরামপুর।

মালদহ (১২টি আসন)
হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর, বৈষ্ণবনগর।

মুর্শিদাবাদ (২২টি আসন)
ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল, জলঙ্গি।

পূর্ব মেদিনীপুর (১৬টি আসন)
তমলুক, পাঁশকুড়া পূর্ব, পাঁশকুড়া পশ্চিম, ময়না, নন্দকুমার, মহিষাদল, হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, কাঁথি উত্তর, ভগবানপুর, খেজুরি, কাঁথি দক্ষিণ, রামনগর, এগরা।

পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম (১৯টি আসন)
দাঁতন, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, কেশিয়ারি, খড়গপুর সদর, খড়গপুর, নারায়ণগড়, সবং, পিংলা, ডেবরা, দাসপুর, ঘাটাল, চন্দ্রকোনা, গড়বেতা, শালবনি, কেশপুর, মেদিনীপুর, বিনপুর।

পুরুলিয়া (৯টি আসন)
বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুন্ডি, জয়পুর, পুরুলিয়া, মানবাজার, কাশীপুর, পাড়া, রঘুনাথপুর।

বাঁকুড়া (১২টি আসন)
শালতোড়া, ছাতনা, রানিবাঁধ, রাইপুর, তালড্যাংরা, বাঁকুড়া, বড়জোড়া, ওন্দা, বিষ্ণুপুর, কোতুলপুর, ইন্দাস, সোনামুখী।

পশ্চিম বর্ধমান (৯টি আসন)
পাণ্ডবেশ্বর, দুর্গাপুর পূর্ব, দুর্গাপুর পশ্চিম, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, আসানসোল উত্তর, আসানসোল দক্ষিণ, কুলটি, বারাবনি।

বীরভূম (১১টি আসন)
দুবরাজপুর, সিউড়ি, বোলপুর, নানুর, লাভপুর, সাঁইথিয়া, ময়ূরেশ্বর, রামপুরহাট, হাঁসন, নলহাটি, মুরারই।

দ্বিতীয় দফায় কোথায় কোথায় ভোট:

নদিয়া (১৭টি আসন)
করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর-পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী, হরিণঘাটা।

উত্তর ২৪ পরগনা (৩৩টি আসন)
বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর, পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট-নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর, হিঙ্গলগঞ্জ।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৩১টি আসন)
গোসাবা, বাসন্তী, কুলতলি, পাথরপ্রতিমা, কাকদ্বীপ, সাগর, কুলপি, রায়দিঘি, মন্দিরবাজার, জয়নগর, বারুইপুর পূর্ব, ক্যানিং পশ্চিম, ক্যানিং পূর্ব, বারুইপুর পশ্চিম, মগরাহাট পূর্ব, মগরাহাট পশ্চিম, ডায়মন্ড হারবার, ফলতা, সাতগাছিয়া, বিষ্ণুপুর, সোনারপুর দক্ষিণ, ভাঙড়, কসবা, যাদবপুর, সোনারপুর উত্তর, টালিগঞ্জ, বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম, মহেশতলা, বজবজ, মেটিয়াবুরুজ।

কলকাতা (১১টি আসন)
কলকাতা বন্দর, ভবানীপুর, রাসবিহারী, বালিগঞ্জ, চৌরঙ্গী, এন্টালি, বেলেঘাটা, জোড়াসাঁকো, শ্যামপুকুর, মানিকতলা, কাশীপুর-বেলগাছিয়া।

হাওড়া (১৬টি আসন)
বালি, হাওড়া উত্তর, হাওড়া মধ্য, শিবপুর, হাওড়া দক্ষিণ, সাঁকরাইল, পাঁচলা, উলুবেড়িয়া পূর্ব, উলুবেড়িয়া উত্তর, উলুবেড়িয়া দক্ষিণ, শ্যামপুর, বাগনান, আমতা, উদয়নারায়ণপুর, জগৎবল্লভপুর, ডোমজুড়।

হুগলি (১৮টি আসন)
উত্তরপাড়া, শ্রীরামপুর, চাঁপদানি, সিঙ্গুর, চন্দননগর, চুঁচুড়া, বলাগড়, পাণ্ডুয়া, সপ্তগ্রাম, চণ্ডীতলা, জাঙ্গিপাড়া, হরিপাল, ধনেখালি, তারকেশ্বর, পুরশুড়া, আরামবাগ, গোঘাট, খানাকুল।

পূর্ব বর্ধমান (১৬টি আসন)
খণ্ডঘোষ, বর্ধমান দক্ষিণ, রায়না, জামালপুর, মন্তেশ্বর, কালনা, মেমারি, বর্ধমান উত্তর, ভাতার, পূর্বস্থলী দক্ষিণ, পূর্বস্থলী উত্তর, কাটোয়া, কেতুগ্রাম, মঙ্গলকোট, আউশগ্রাম, গলসি।

Advertisement