• facebook
  • twitter
Thursday, 1 January, 2026

তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে লড়াকু বার্তা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসে দলীয় নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আজকের দিনে পথচলা শুরু করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে নতুন দল গড়ার ডাক দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিন দশক পর বাংলার ক্ষমতায় সেই দল। লড়াই আর পরিশ্রমের আর এক নাম মমতা। বামফ্রন্ট আমলে সরকারের ঘুম উড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। সাধারণ মানুষের অধিকার আর অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন তিনি।

একজন সাধারণ রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে জীবন শুরু করে আজ বাংলার প্রশাসনিক প্রধান। এই উত্তরণ তাঁর লড়াকু মানসিকতার জন্যই সম্ভব হয়েছে। ধমক-চমকে কোনও লাভ হবে না, সে হুঁশিয়ারি বারবারই দিয়েছেন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসে দলীয় নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজীবন সংগ্রাম চলবে বলে জানান তিনি।

Advertisement

বৃহস্পতিবারের এক্স  হ্যান্ডলের পোস্টের শুরুতেই পুরনো দিনের কথাও উল্লেখ করেন  তৃণমূল নেত্রী। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মা-মাটি-মানুষের সেবার লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালের আজকের দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের পথচলা শুরু হয়েছিল। এই ঐতিহাসিক যাত্রাপথের মূল দিশারী দেশমাতৃকার সম্মান, বাংলার উন্নয়ন এবং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা। আজও আমাদের দলের প্রতিটি কর্মী-সমর্থক এই লক্ষ্যে অবিচল এবং অঙ্গীকারবদ্ধ। তাঁদের নিরলস প্রচেষ্টা ও আত্মত্যাগকে আমি বিনম্র চিত্তে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানাই।‘

Advertisement

এরপরেই তিনি লড়াকু বার্তা দিয়ে লেখেন, ‘আপনাদের অকুন্ঠ সমর্থনকে পাথেয় করেই বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশের প্রত্যেকটি মানুষের জন্য লড়াইয়ে অবিচল আমরা। কোনও রকম অপশক্তির কাছে মাথা নত নয়, সকল রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেই সাধারণ মানুষের জন্য আমাদের সংগ্রাম আজীবন চলবে।‘

১৯৯৮ সালে আজকের দিনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা হয়। সেদিন যে বীজ মমতা বপন করেছিলেন আজ তা মহীরুহতে পরিণত হয়েছে। উন্নয়নকে হাতিয়ার করে এগিয়ে চলেছে তৃণমূল। শুধু রাজ্য নয়, দেশেও নিজের বিস্তার করে চলেছেন ঘাসফুল। এই বছরই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তাই প্রতিষ্ঠা দিবসে নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করার বার্তা নেতৃত্বের। আজ, রাজ্যের নানা জায়গায় এই বিশেষ দিন পালন করেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতি ব্লক, প্রতি ওয়ার্ডে আলাদা আলাদাভাবে পালিত হয় প্রতিষ্ঠা দিবস।

 

Advertisement