• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 5 June, 2026

ছয় তৃণমূল নেতার কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায় মেখলিগঞ্জ পুরসভা হাতছাড়া তৃণমূলের

মেখলিগঞ্জ পুরসভার মোট নয়জন কাউন্সিলরের মধ্যে ছয়জন দলবদল করায়, কার্যত পুরসভার নিয়ন্ত্রণ এখন কংগ্রেসের হাতে

রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই রাজ্য-রাজনীতি উত্তাল। প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। অন্যদিকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই টালমাটাল অবস্থা তৃণমূল কংগ্রেসের। বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে আড়াআড়ি দু’ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। নিজেদের ‘ভালো তৃণমূল’ বলে ঘোষণা করেছেন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

৬০ জন বিধায়ক নিয়ে বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা দেওয়ার জন্য অধ্যক্ষের কাছে চিঠিও দিয়েছেন তিনি। অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু তাঁর চিঠি গ্রহণ করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতও দিয়েছেন। তারপরই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ঘরের দরজা খুলে দেওয়া হয়।
বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলে ভাঙন শুরু হয়েছে।

আর তাতে শেষ পেরেকটি পোঁতেন বহিষ্কৃত বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলে ভাঙন শুরু হতেই কংগ্রেসের তরফ তৃণমূল নেতাদের দলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। এই ডামাডোলের মধ্যে হাই কমান্ড তৃণমূলের পাশে থাকার বার্তা দিলেও প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীদের দলে টানার উদ্যোগ শুরু করেছে।

এই পরিস্থিতিতে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ পুরসভার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে কংগ্রেস। শুক্রবার মেখলিগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান প্রভাত পাটনি-সহ তৃণমূলের ছয়জন কাউন্সিল আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। রাজ্য কংগ্রেসের সদর দপ্তর বিধান ভবনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার তাঁদের হাতে দলের পতাকা তুলে দেন।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ দেবপ্রসাদ রায়, কোচবিহার জেলা কংগ্রেস নেতা বিশ্বজিৎ সরকার এবং দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। মেখলিগঞ্জ পুরসভার মোট নয়জন কাউন্সিলরের মধ্যে ছয়জন দলবদল করায়, কার্যত পুরসভার নিয়ন্ত্রণ এখন কংগ্রেসের হাতে।