• facebook
  • twitter
Thursday, 14 May, 2026

বিধানসভায় মুখোমুখি শুভেন্দু-কুণাল

তাপস-সজলদের নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট বেলেঘাটার বিধায়কের

নতুন সরকার গঠনের পর রাজ্য বিধানসভায় সম্পূর্ণ হয়েছে নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথ গ্রহণ পর্ব। বৃহস্পতিবার প্রথমবার বিধায়ক হিসেবে শপথ নেন কুণাল ঘোষ। আর তারপরই বিধানসভার লবিতে দেখা গেল এক বিরল রাজনৈতিক সৌজন্যের ছবি।
শপথ নেওয়ার পর বিধানসভার লবিতে মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং কুণাল ঘোষ। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে একে অপরের বিরোধিতা করলেও এদিন তাঁদের মুখে ছিল চওড়া হাসি। সূত্রের খবর, শুভেন্দুকে সামনে দেখে প্রথমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কুণাল। জবাবে শুভেন্দুও দাঁড়িয়ে কুণালকে বলেছেন, ‘কি, শেষ পর্যন্ত জিতে গেলেন তো।’ সংক্ষিপ্ত কথোপকথনের মধ্যেই ধরা পড়ে সৌজন্যের আবহ।

একসময় একই রাজনৈতিক দলে থাকলেও গত কয়েক বছরে দুই নেতার সম্পর্ক ছিল প্রকাশ্য রাজনৈতিক সংঘাতের। বিশেষ করে তৃণমূলের মুখপাত্র হিসেবে বিজেপি ও শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে একাধিকবার তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন কুণাল ঘোষ। তাই এদিনের এই সৌহার্দ্যের ছবি স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

Advertisement

সেই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনিও এগিয়ে এসে কুণাল ঘোষকে আলিঙ্গন করেন। রাজনৈতিক বিরোধিতার মাঝেও বিধানসভায় এই সৌজন্য বিনিময়ের ছবি ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

Advertisement

এদিন বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন কুণাল ঘোষ। তিনি দাবি করেছেন, তাপস রায় ও সজল ঘোষকে তৃণমূল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। কুণালের কথায়, তাঁদের দলে রাখার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি ‘হোয়াটসঅ্যাপ কাঁদুনি পলিটিক্স’ ও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে দলের আত্মবিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। যদিও কারও নাম নেননি, রাজনৈতিক মহলের মতে তাঁর ইঙ্গিত তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই। কুণালের পোস্ট ঘিরে ফের জোর চর্চা শুরু হয়েছে তৃণমূলের অন্দরে।

Advertisement