• facebook
  • twitter
Wednesday, 14 January, 2026

গঙ্গাসাগর মেলায় নজরদারি চালাচ্ছে সাতটি স্যাটেলাইট

'নাভিক' প্রযুক্তির সাহায্যে এবছর সিকিউরিটি ব্যবস্থা চলছে গঙ্গাসাগর মেলায়

‘নাভিক’ প্রযুক্তির সাহায্যে এবছর সিকিউরিটি ব্যবস্থা চলছে গঙ্গাসাগর মেলায়। সাতটি কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে বাবুঘাট থেকে মেলা প্রাঙ্গণ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চলের উপরে নজরদারি রাখা হচ্ছে। কলকাতা থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত পুরো রাস্তা জলপথ এবং মেলা প্রাঙ্গণ দেখা যাচ্ছে মেগা কন্ট্রোল রুম থেকে। যে বাস বা ভেসেলগুলো পুণ্যার্থীদের মেলা প্রাঙ্গণে নিয়ে আসছে তাদের উপর রাখা হচ্ছে বিশেষ নজরদারি। কেউ যদি ভুল পথে চলে যায় কিংবা দুর্ঘটনা ঘটে, সে ক্ষেত্রে স্যাটেলাইট সতর্ক করে দিচ্ছে কন্ট্রোল রুমকে। চলছে বিশেষ ‘সার্ভিলেন্স’।

মেলা নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন ১৫০০০ পুলিশ কর্মী। কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারের বিপর্যয় মোকাবিলা টিম রয়েছে। সেইসঙ্গে আছেন সাড়ে তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবক, আড়াই হাজার সিভিল ডিফেন্স কর্মী। জলপথ পাহারা দিচ্ছে উপকূল রক্ষী বাহিনী। কেউ হারিয়ে গেলে খুঁজে বার করার জন্য আছে মিসিং পার্সন স্কোয়াড।

Advertisement

কলকাতা থেকে পুণ্যার্থীদের মেলায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ৩০ হাজার বাসের ব্যবস্থা রয়েছে। কচুবেড়িয়া এবং লট নম্বর আটে ১০টি স্থায়ী জেটির পাশাপাশি তৈরি হয়েছে ১১ টি অস্থায়ী জেটি। অতিরিক্ত লঞ্চ রয়েছে ১০০ টা। মুড়িগঙ্গা বাস এবং গাড়ি পার করার জন্য রয়েছে ১৩ টি বার্জ। মেলায় যেতে ইন্টারনেট পরিষেবা বিঘ্নিত না হয় সেজন্য সাতটি হাই ফ্রিকুয়েন্সির ওয়াইফাই জোন তৈরি রয়েছে। এছাড়াও আছে হ্যাম রেডিও এবং তাদের কর্মীরা।

Advertisement

গোটা মেলা প্রাঙ্গণ জুড়ে ১৪০০ ক্যামেরা চব্বিশ ঘণ্টা চালু রয়েছে। যার ফুটেজ দেখা যাচ্ছে মেগা কন্ট্রোল রুম থেকে। ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে ড্রোন। যার মাধ্যমে রাতের অন্ধকারেও তল্লাশি চালানো যাচ্ছে। সারাক্ষণ সেগুলোর উপরে নজর রেখে চলেছেন শতাধিক কর্মী।

এবার মেলায় তৈরি হয়েছে পাঁচটা অস্থায়ী হাসপাতাল। তার মধ্যে একটি রয়েছে নামখানায়, একটা  ৮ নম্বর লটে। একটা কচুবেড়িয়ায়, একটা চেমাগুড়িতে এবং একটা মেলা প্রাঙ্গণে। সবমিলিয়ে হাসপাতালগুলোতে রয়েছে ৫৫০ শয্যা। পুণ্যার্থীদের সহযোগিতা করার জন্য রয়েছেন ‘সাগর বন্ধু’রা।

Advertisement