রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) অফিসে ফর্ম ৬ জমা দিতে এসেছিলেন এক যুবক বলে অভিযোগ ওঠে। তাঁকে ‘হাতেনাতে ধরে ফেলা হয়’। এমনই অভিযোগ তুলে সিইও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলপন্থী বিএলও-রা। রাস্তায় বসে স্লোগান দিতে শুরু করেন তাঁরা। কিছু ক্ষণ পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছোন বিজেপি কর্মীরাও। মারধরের অভিযোগ তুলে তাঁরাও সিইও অফিসের সামনে পাল্টা বিক্ষোভ দেখান। স্লোগান, পাল্টা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সিইও অফিসের সামনের রাস্তা। সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশকে।
জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বেলায় আচমকাই স্ট্র্যান্ড রোডে নতুন সিইও অফিসের সামনে হাজির হন তৃণমূলপন্থী বেশ কয়েক জন বিএলও। তাঁদের অভিযোগ, এক যুবক নাকি প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরে ফর্ম ৬ নিয়ে সিইও অফিসে জমা দিতে এসেছিলেন! তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা। তাঁকে ধরে তৃণমূলপন্থী বিএলও-রা টানাটানি শুরু করেন। ক্যামেরায় ধরা পড়েছে এক যুবক একতাড়া কাগজ বগলদাবা করে সিইও অফিসে ঢুকছেন। তবে সেগুলি কী কাগজ, তা স্পষ্ট নয়। আদৌ সেগুলি ফর্ম ৬ কি না, তা জানা যায়নি।
সিইও অফিসে ফর্ম ৬ জমা করার অভিযোগকে ঘিরে যখন তৃণমূলপন্থী বিএলও-রা বিক্ষোভ শুরু করেন, তখন হঠাৎই সেখানে উপস্থিত হন বিজেপি কর্মীরা। নেতৃত্বে দেখা যায় চৌরঙ্গীর বিজেপি প্রার্থী সন্তোষ পাঠককে। তাঁদের অভিযোগ, এক বিজেপি কর্মীকে মারধর করা হয়েছে। তবে কাকে মারধরের অভিযোগ করছে বিজেপি, তা স্পষ্ট নয়। তবে সিইও অফিসের সামনে তাঁরা বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেন। তৃণমূলের বিরুদ্ধে পাল্টা স্লোগান দেয় বিজেপিও। আর তার ঠিক কিছুটা দূরে অবস্থানে বসে পড়েন তৃণমূলপন্থী বিএলও-রা।
দু’পক্ষের বিক্ষোভে উত্তেজনা ছড়ায় সিইও অফিসের সামনে। দু’পক্ষের মাঝে রয়েছে পুলিশ। গার্ডরেল দিয়ে দু’পক্ষকে আটকানোর চেষ্টা করে তারা। তবে পুলিশের গার্ডরেল ভেঙে, টপকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন কয়েক জন। তখনই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দু’পক্ষই সিইও অফিসের সামনে বসে বিক্ষোভ দেখায়।
Advertisement