অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি মিলল না। ফলে রামপুরহাটের সভা ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। অভিষেকের হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি দেয়নি ডিজিসিএ। দীর্ঘক্ষণ ধরে বেহালা ফ্লাইং ক্লাবে অপেক্ষায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তবে অনুমতি না মিললে প্রয়োজনে সড়কপথে রামপুরহাটে পৌঁছবেন বলে জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, ‘রামপুরহাটে যাব। সোনালি বিবির সঙ্গে দেখাও করব।‘
কয়েক মাস বাদেই রাজ্যে ভোট। বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যজুড়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, মঙ্গলবার বীরভূমে সভা-সহ একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। বেলা ১২টায় বেহালা ফ্লাইং ক্লাব থেকে চপারে বীরভূমে যাওয়ার কথা ছিল ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। ১২ টা ৫৩ মিনিটে তারাপীঠ সংলগ্ন চিনার মাঠে তাঁর চপার পৌঁছনোর কথা ছিল।
Advertisement
তারাপীঠে পুজো দিয়ে দুপুর দেড়টায় রামপুরহাটের বিনোদপুর মাঠের রণসংকল্প সভায় যাওয়ার কথা ছিল। তাঁকে স্বাগত জানাতে নির্ধারিত সময়েই মঞ্চে পৌঁছে যান অনুব্রত মণ্ডল, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, কাজল শেখ-সহ অন্যান্যরা। বেলা ১ টায় শুরু হয়ে যায় অনুষ্ঠানও। কিছুক্ষণ পরই জানা যায়, অনুমতি পায়নি অভিষেকের হেলিকপ্টার।
Advertisement
তবে অভিষেক জানিয়েছেন, চপারের অনুমতি না মিললেও তিনি রামপুরহাট যাবেনই। সাংসদ বলেন, ‘প্রয়োজনে সড়কপথেই রামপুরহাট যাব। সভার পাশাপাশি হাসপাতালে গিয়ে সোনালি বিবির সঙ্গে দেখাও করব।‘ তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও বেহালা ফ্লাইং ক্লাবেই রয়েছেন তৃণমূল সেনাপতি। গোটা ঘটনার নেপথ্যে চক্রান্ত বলেই দাবি তৃণমূলের। সিপিএম-কংগ্রেসের প্রশ্ন, ‘বীরভূম যেতে চপার লাগে?’
Advertisement



