মোথাবাড়ি ঘটনায় দ্রুত তদন্তে তৎপর এনআইএ। সূত্রের খবর, তদন্তকে এগিয়ে নিয়ে যেতে তিনটি পৃথক দলে ভাগ হয়ে কাজ শুরু করেছেন আধিকারিকরা। প্রশাসনিক দপ্তর, থানা এবং ঘটনাস্থল—সব দিকেই সমান্তরালভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
একটি দল স্থানীয় বিডিও অফিসে গিয়ে প্রশাসনিক নথি ও তথ্য সংগ্রহ করছে। অন্য দল মোথাবাড়ি থানায় পুলিশের রিপোর্ট, ডায়েরি এবং প্রাথমিক তদন্তের কাগজপত্র পরীক্ষা করছে। তৃতীয় দল সরাসরি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে, যাতে সেদিন ঠিক কীভাবে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল তা স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। পাশাপাশি প্রশাসনিক বা পুলিশি গাফিলতি ছিল কি না, তাও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
এই তদন্তে সামাজ মাধ্যমের ভূমিকাও বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, একাধিক সমাজ মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে উস্কানিমূলক পোস্ট ছড়ানো হয়েছিল, যা পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তোলে। সেই সব অ্যাকাউন্টের উৎস, উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সাইবার বিশেষজ্ঞদেরও যুক্ত করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
Advertisement
ঘটনার দিন পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এনআইএ আধিকারিকরা গভীর রাত পর্যন্ত থানায় থেকে কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। আগাম কোনও গোয়েন্দা তথ্য ছিল কি না, থাকলে ব্যবস্থা নিতে দেরি হল কেন—এই সব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হচ্ছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বাহিনী মোতায়েন ছিল কি না এবং কেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এছাড়া সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার পূর্ণ চিত্র সামনে আনার চেষ্টা চলছে। তদন্ত যত এগোবে, ততই প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের ভূমিকা স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
Advertisement



