• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 19 July, 2026

‘আমি দিদির সঙ্গেই আছি’, তৃণমূল ভাঙনে মন খারাপ নিয়েও অটল বাবুল

মাঝে আর একটা দিন। তারপরই একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ । তার আগেই যাঁরা চলে যেতে চায় তাঁদের চলে যেতে বলেছেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

‘আমি দিদির সঙ্গেই আছি’, তৃণমূল ভাঙনে মন খারাপ নিয়েও অটল বাবুল

MP Babul Supriya Photo-IANS

বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয় হতেই তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে খান খান হয়ে গিয়েছে। লোকসভার ২০ জন সাংসদ এনসিপিআই দলে যোগ দিয়েছেন। ৬০ জন পশ্চিমবঙ্গ থেকে জয়ী বিধায়করা পৃথক অবস্থান নিয়েছেন। নেতা থেকে কাউন্সিলররা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে ঋতব্রত শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। রাজ্যসভা থেকেও চারজন সাংসদ পদত্যাগ করে এখন বিজেপির দিকে চলে গিয়েছেন। এই আবহে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন রাজ্যসভার সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। আর তা নিয়েই রবিবার চর্চা শুরু হয়েছে।

এদিকে বাবুলের সঙ্গেই রাজ্যসভায় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল কোয়েল মল্লিককে। তিনি ইস্তফা দিয়ে বিজেপির দিকে ঝুঁকেছেন। আর তিন সঙ্গী সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির টিকিটে এখন রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছেন। এই অবস্থায় মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রীসভার প্রাক্তন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। রবিবার এক সংবাদমাধ্যমে একান্ত সাক্ষাৎকারে রাজ্যসভার সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় বলেন, ‘দিদির জন্য মন খারাপ লাগছে। যাঁরা এত কথা এখন বলছেন, পদত্যাগ করে ফের নির্বাচনে লড়ুন।’

অন্যদিকে মাঝে আর একটা দিন। তারপরই একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ হবে শহরে। তার আগেই যাঁরা চলে যেতে চায় তাঁদের চলে যেতে বলে দিয়েছেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলায় সভা করার অনুমতি মেলেনি। সেটা করতে হবে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে। এই আবহে বিরোধী আসনে বসে তৃণমূল কংগ্রেসকে লড়াই করতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গীরা মমতার হাত ছাড়তে শুরু করেছেন। সেখানে বাবুল সুপ্রিয় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন, ‘আমি দিদির সঙ্গেই আছি। রাজ্যসভায় সে ইস্যুগুলি তুলতে হবে তুলব। শান্তিতে কাজ করতে চাই।’

তাছাড়া এখন যাওয়ার হিড়িক বেড়েছে তৃণমূল কংগ্রেসে। একইসঙ্গে যাঁরা যাচ্ছেন তাঁরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন। সেখানে বাবুল সুপ্রিয়র স্পষ্ট বক্তব্য, ‘যাঁরা এত কথা এখন বলছেন তাঁরা পদত্যাগ করে ফের নির্বাচনে লড়ুন। তাঁরা জনপ্রিয় হলে আবার জিতবেন। দিদির জন্য মন খারাপ লাগছে। যাঁদেরকে আঙুল ধরে তুলে এনেছিলেন। অগাধ বিশ্বাস করেছিলেন। তাঁরা যদি জিজ্ঞাসা করে, কে তৃণমূল তাহলে কী হবে। বলব না যে বিজেপিতে যাব না। আমি কি মালা কিনেছি? না ওরা মালা নিয়ে অপেক্ষা করছে। কোনও কিছু বলতে চাই না। ৬ বছর শান্তভাবে কাজ করতে চাই। নেত্রী যেমন বলবে করব। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, যাঁরা দুর্নীতি করছেন ছাড় পাবেন না। যাঁরা পালটি খাচ্ছে তাঁদের মধ্যেও দাগি আছেন। তাঁরা যেন শাস্তি পান। সেটা দেখার জন্য বাংলাবাসী অপেক্ষা করছে।’