হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের খাবারের মান, পরিমাণ ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কোনও রকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। এই বার্তা দিয়ে বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে গেলেন ঝাড়গ্রামের বিধায়ক লক্ষ্মীকান্ত সাউ। হাসপাতালের রান্নাঘর থেকে রোগীদের পাতে খাবার পৌঁছনো পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন তিনি। এমনকী রোগীদের পরিবেশন করা খাবার নিজেও চেখে দেখেন বিধায়ক।
প্রসঙ্গত, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের জন্য নির্ধারিত খাবারের মান ও পরিমাণ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ ওঠে। কখনও খাবারের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, আবার কখনও বরাদ্দ পরিমাণের তুলনায় কম খাবার দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসে। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই এ দিন আচমকা হাসপাতালে পৌঁছন বিধায়ক।
আরও পড়ুন: কল্যাণীকে ‘নির্মল শহর’ করার বার্তা অগ্নিমিত্রার
প্রথমে রান্নাঘরে গিয়ে খাবার তৈরির সময় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হচ্ছে কি না, রান্নার সামগ্রী সঠিকভাবে রাখা হচ্ছে কি না এবং খাবার পরিবেশনের আগে প্রয়োজনীয় নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখেন তিনি। রোগীদের জন্য বরাদ্দ খাবার নির্ধারিত পরিমাণে দেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়েও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন।
এর পর বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন লক্ষ্মীকান্ত। তাঁরা নিয়মিত খাবার পাচ্ছেন কি না, খাবারের পরিমাণ যথেষ্ট কি না এবং খাবারের মান কেমন— তা জানতে চান তিনি। রোগীদের অভিজ্ঞতা ও অভিযোগও শোনেন বিধায়ক। পরে পরিবেশন করা খাবার নিজে পরীক্ষা করে দেখেন।
বিধায়ক বলেন, ‘রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। তাঁদের জন্য সরকার যে খাবারের ব্যবস্থা করেছে, সেই খাবারের গুণমান এবং পরিমাণ ঠিক আছে কি না, সেটা দেখা আমাদের দায়িত্ব। তাই সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখতে এসেছিলাম। আগামী দিনেও এ ধরনের সারপ্রাইজ ভিজিট চলবে। রোগীরা যাতে ঠিকমতো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং মানসম্মত খাবার পান, তা নিশ্চিত করতে নজরদারি করা হবে।’
দেখুন: মাঝআকাশে হামলা রুখে সাহসিকতার নজির, ভারতীয় পাইলট স্মিতকে কুর্নিশ মোদীর




