• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 11 July, 2026

নিখোঁজ ১৫ মৎস্যজীবীর সন্ধান মিলল বাঘেরচর দ্বীপে

৮ জুলাই থেকে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলেও সমুদ্র এখনও উত্তাল রয়েছে। তাই অধিকাংশ ট্রলার সমুদ্রে যেতে পারছে না। অনেক মৎস্যজীবী সমুদ্রে রওনা দিয়েও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ফিরে এসে উপকূলের নদী ও খাঁড়িতে অপেক্ষা করছেন।

নিখোঁজ ১৫ মৎস্যজীবীর সন্ধান মিলল বাঘেরচর দ্বীপে

Photo: File Photo

শঙ্করপুর থেকে মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলার-সহ নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল ১৫ জন মৎস্যজীবী। সেই ১৫ জন মৎস্যজীবীর খোঁজ মিলল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের বাঘেরচর দ্বীপ সংলগ্ন এলাকায়। গত ৬ জুলাই থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। শনিবার সকালে তাঁদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়।

জানা গিয়েছে, ট্রলারের ইঞ্জিনে জল ঢুকে বিকল হয়ে যাওয়ায় মাঝসমুদ্রে মৎস্যজীবীরা বিপাকে পড়েন। এরপরে স্রোতের টানে ট্রলারটি বাঘেরচর দ্বীপের কাছে ভেসে যায়। বর্তমানে সকলেই সুস্থ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন শঙ্করপুর ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিস ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক স্বদেশ রঞ্জন নায়েক। তাঁর কথায়, বাঘেরচর থেকে প্রায় দু’কিলোমিটার দূরে রয়েছেন মৎস্যজীবীরা। তাঁদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে শঙ্করপুর থেকে একটি লঞ্চ পাঠানো হয়েছে।

এদিকে একই দিনে বঙ্গোপসাগরে আরও একটি ট্রলার দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ১২ থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে মাছ ধরার সময় এফবি আলফাতে নামে একটি ট্রলারের পাটাতন ভেঙে জল ঢুকতে শুরু করে। এরপরে ট্রলারটি ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা ১২ জন মৎস্যজীবীকে আশপাশে থাকা অন্য ট্রলারগুলি উদ্ধার করে। তবে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি তারা উদ্ধার করতে পারেনি।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় ২ থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। ৮ জুলাই থেকে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলেও সমুদ্র এখনও উত্তাল রয়েছে। তাই অধিকাংশ ট্রলার সমুদ্রে যেতে পারছে না। অনেক মৎস্যজীবী সমুদ্রে রওনা দিয়েও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ফিরে এসে উপকূলের নদী ও খাঁড়িতে অপেক্ষা করছেন।

মৎস্যজীবী সংগঠনগুলির দাবি, মরশুমের শুরুতেই প্রতিকূল আবহাওয়া এবং একের পর এক দুর্ঘটনায় ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন উপকূলবর্তী এলাকার মৎস্যজীবীরা। সমুদ্রের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফের মাছ ধরার প্রক্রিয়া শুরু হওয়া কঠিন বলেই মৎস্যজীবীরা মনে করছেন।