• facebook
  • twitter
Wednesday, 8 April, 2026

কাজ শেখানোর নামে গুজরাতে নাবালককে অত্যাচার, কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের

ওই বালকের মা পূর্ণিমা দুর্লভ ও তার বাবা বিশ্বনাথ দুর্লভ জানায়, 'অর্থনৈতিক অনটনের কারণে ছেলেকে কাজে পাঠিয়েছিলাম, সেখানে গিয়ে এমন অত্যাচারিত হবে ভাবতে পারিনি।

প্রতীকী চিত্র

ভিন রাজ্যে সিটি গোল্ডের কারখানায় কাজে গিয়ে মালিকের হাতে অত্যাচারিত এক বালক। কাজ শেখানোর নাম করে চরম প্রহার বাংলার নাবালককে। অবশেষে বালকের অবস্থা বেগতিক বুঝে এক যুবকের মাধ্যমে তাকে হাওড়া পাঠিয়ে দেয় তার মালিক। এরপরই অভিযোগ দায়ের হয়েছে কালনা থানায়। ওই নাবালকের নাম গণেশ দুর্লভ। তার বাড়ি কালনা থানার অন্তর্গত উপলতি এলাকায়। তার বয়স মাত্র ১২ বছর। তাকে চিকিৎসার জন্য কালনা হাসপাতালেও নিয়ে আসা হবে বলে জানা গিয়েছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মালিকের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জানা গিয়েছে, বছর দুয়েক আগের পারিবারিক অর্থনৈতিক অনটনের কারণে রাজকোটে, শিকারপুরের এক বাসিন্দার মাধ্যমে সিটি গোল্ডের কাজ করতে যায়। সেখানে ওই নাবালককে খেতে দেওয়া ভাত নষ্ট করায় দীর্ঘদিন ধরেই ব্যাপক মারধর করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। মারধরের জেরে ঠিকমতন হাঁটার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে সে। অত্যাচার এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, তার গলায় ঘা পর্যন্ত হয়ে গিয়েছে। কালনা থানায় পুরো বিষয়টি জানিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছে ওই বালকের পরিবার।

Advertisement

এদিন মঙ্গলবার ওই বালকের মা পূর্ণিমা দুর্লভ ও তার বাবা বিশ্বনাথ দুর্লভ জানায়, ‘অর্থনৈতিক অনটনের কারণে ছেলেকে কাজে পাঠিয়েছিলাম, সেখানে গিয়ে এমন অত্যাচারিত হবে ভাবতে পারিনি। ঘটনায় থানায় বিষয়টি জানিয়েছি।’

Advertisement

অভিযযোগ, ওই নাবালককে নিজের ছেলের মতো রেখে কাজ শেখানোর টোপ দিয়ে নিয়ে যায়। তার বাড়ি থেকে ছেলের মতন রেখে কাজ শেখাব বলে নিয়ে গেলেও ওখানে গিয়েই অত্যাচার শুরু করে দেয় তার মালিক। এমনকি ওই বাড়িতে ঠিক মতন কথাও বলতে দিত না। এরপরই রবিবার এক যুবকের সাহায্যে হাওড়া পৌঁছায় সে। হাওড়া থেকে কালনার বাড়িতে নিয়ে আসে নাবাকের পরিবারের লোকেরা।

Advertisement