সক্রিয় অপরাধীদের তালিকায় সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দারের নাম নেই। কেন তালিকায় নাম নেই তা নিয়ে প্রশ্ন তুলল নির্বাচন কমিশন। সেই সঙ্গে কসবা থানার ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন। ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশকে পলাতক ও ঘোষিত অপরাধীদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। সেই নির্দেশ যথাযথভাবে পালন না করার অভিযোগেই কসবা থানার ওসিকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিল কমিশন।
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, সমস্ত জামিন অযোগ্য পরোয়ানা দ্রুত কার্যকর করা এবং পলাতক অপরাধীদের খোঁজে বিশেষ অভিযান চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এসডিপিওদের। প্রয়োজনে লুকআউট সার্কুলার জারি করার কথাও বলা হয়। পাশাপাশি, প্রতিবেশী জেলা ও মহকুমার পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিয়মিত তথ্য আদানপ্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
Advertisement
এছাড়া, থানার ওসি বা এসএইচওদের মাধ্যমে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে অশান্তিপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করা এবং আগের নির্বাচনে জড়িত দুষ্কৃতীদের তালিকা তৈরি করার কথাও বলা হয়েছিল। মোট ১৬ দফা নির্দেশ জারি করে কমিশন জানায়, আগের নির্বাচনের সমস্ত অপরাধের তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে এবং কোনও জামিন অযোগ্য পরোয়ানা ১০ দিনের বেশি ঝুলিয়ে রাখা যাবে না।
Advertisement
এই পরিস্থিতিতে সোনা পাপ্পুর নাম তালিকায় না থাকায় প্রশ্ন ওঠে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, হুমকি-সহ একাধিক অভিযোগে বেশ কয়েকটি এফআইআর দায়ের রয়েছে। সম্প্রতি তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২ কোটি টাকা, একটি দামি গাড়ি এবং গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তির নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযোগ, কসবা ও বালিগঞ্জ এলাকায় বিভিন্ন সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি। রবীন্দ্র সরোবরে গন্ডগোলের ঘটনায়ও নাম জড়ায় পাপ্পুর। এই ঘটনায় এখনও তাঁকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
Advertisement



