• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 9 August, 2026

কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে স্থলাভিষিক্ত বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ৪৪ তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে নিযুক্ত করা হয়।

কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে স্থলাভিষিক্ত বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী

File photo

বিচারপতি সুজয় পাল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নিলেন। তার জায়গায় দায়িত্ব সামলাবেন বর্ষীয়ান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী। শুক্রবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে এ কথা জানানো হয়েছে। এদিনই কলকাতা হাইকোর্টের পক্ষ থেকে বিচারপতি সুজয় পালকে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হবে।

গত বছরই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি পদে বসেন সুজয় পাল। মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট থেকে তেলেঙ্গানা হাইকোর্ট হয়ে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে এসেছিলেন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ৪৪ তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে নিযুক্ত করা হয়।

কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পদে রয়েছেন তপোব্রত চক্রবর্তী। শুক্রবার থেকে কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে তাঁকে নিযুক্ত করল কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রক। সম্প্রতি তিনি প্রাথমিকে ৩২ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশের মধ্যে দিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির জেরে প্রথমে সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল হয়। সুপ্রিম কোর্টও সেই রায় বহাল রাখে। পরে প্রাথমিক নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগে নতুন করে হাইকোর্টে মামলা ওঠে। ২০২৩ সালে তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রশিক্ষণহীন প্রায় ৩২ হাজার শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করার নির্দেশ দেন। সেই সঙ্গে তিন মাসের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুরও নির্দেশ দিয়েছিলেন।

সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় পর্ষদ। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের বেঞ্চ সেই চাকরি বাতিলের রায়ের উপরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেন। সেই সঙ্গে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে বলেও নির্দেশ দেন। এরপর দুই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য ও পর্ষদ দু’পক্ষই সুপ্রিম কোর্টে যায়। সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টে মামলা ফেরত পাঠিয়ে ডিভিশন বেঞ্চকে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করার নির্দেশ দেন।

সেই সময়ে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায় খারিজ করে দেন হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রতকুমার মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ। তাঁরা প্রাথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বহালের নির্দেশ দেন।