• facebook
  • twitter
Saturday, 9 May, 2026

কালীঘাটে মমতার বাড়ির সামনে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান, পাল্টা ‘জয় বাংলা’

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে বিজেপি কর্মীদের ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হল। পাল্টা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন তৃণমূল সমর্থকেরা।

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

বাংলায় প্রথম বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। শনিবার শুভেন্দু অধিকারী নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সেই উত্তেজনার আঁচ পৌঁছে গেল তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়ির সামনেও। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের স্লোগান ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় শেষ পর্যন্ত এলাকায় মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। বর্তমানে কালীঘাট এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জারি রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই একদল বিজেপি কর্মী ও সমর্থক বাইক নিয়ে কালীঘাট এলাকায় পৌঁছন। তাঁদের হাতে ছিল দলীয় পতাকা। এলাকায় ঢুকেই তাঁরা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। অভিযোগ, কয়েকজন কর্মী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির মূল গেটের সামনেও গিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।

Advertisement

আগে থেকেই এলাকায় মোতায়েন ছিল কলকাতা পুলিশের বাহিনী। পুলিশ প্রথমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে এবং স্লোগানরত কর্মীদের সরিয়ে দেয়। তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে আশঙ্কা করে পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছেন। কোনও মিছিলকারী বা রাজনৈতিক কর্মীকে আর তৃণমূল নেত্রীর বাড়ির সামনে যেতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে নিরাপত্তা কিছুটা কমানো হয়েছিল। সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল একাধিক গার্ডরেল। যদিও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর জন্য নির্ধারিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় ছিল। একইভাবে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের নিরাপত্তা বলয়েও পরিবর্তন আনা হয়েছিল। রাজনৈতিক মহলের মতে, সরকার পরিবর্তনের পর রাজ্যে রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। কালীঘাটের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে উত্তাপ আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Advertisement