সাতটি জেলায় দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের আগে ভোটকর্মীর সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রথম দফার ভোটে দায়িত্ব পালন করা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদেরই দ্বিতীয় দফায় পুনরায় কাজে লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ১৭,২৭৬ জন কেন্দ্রীয় কর্মচারীকে দ্বিতীয় দফার ভোটে নিয়োগ করা হবে। এঁরা সবাই প্রথম দফায় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় কাজ করেছেন। তাঁদের প্রিসাইডিং অফিসার-সহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিযুক্ত করা হবে। জেলাভিত্তিক নিয়োগের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।
Advertisement
সবচেয়ে বেশি কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়, যেখানে ৬,৬২০ জন দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, যেখানে ৫,৬৮০ জন কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। নদিয়ায় ১,৭৪৫ জন কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা হয়েছে, যার মধ্যে তেহট্ট বিধানসভা কেন্দ্রে সংখ্যাটা বেশি। হাওড়ায় মোট ৭২৪ জন কর্মী নিয়োগ করা হবে—এর মধ্যে ডোমজুড়ে ২২১ জন এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০৩ জন। এছাড়া দক্ষিণ কলকাতায় ১,১০৯ জন, হুগলিতে ৭১২ জন এবং পূর্ব বর্ধমানে ৬৮৬ জন কর্মী নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। ভোটকর্মী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল প্রশ্ন তুলেছেন, কেন শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদেরই পুনর্নিয়োগ করা হচ্ছে। তাঁর মতে, রাজ্য সরকারের বহু কর্মচারী এখনও ভোটের কাজে নিযুক্ত হননি, তাঁদেরও কাজে লাগানো যেত। তিনি দাবি করেন, অতীতে এমন সিদ্ধান্ত দেখা যায়নি। যদিও তিনি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করার পক্ষে নিজের সমর্থন জানিয়েছেন।
Advertisement



