• facebook
  • twitter
Friday, 9 January, 2026

নেতাই দিবসের স্মৃতিচারণা মুখ্যমন্ত্রীর

নেতাই-এর অমর শহিদদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

৭ জানুয়ারি নেতাই দিবস। ২০১২ সাল থেকে প্রতিবছরই তৃণমূল কংগ্রেস এই দিনটিকে ‘নেতাই শহিদ দিবস’ হিসেবে পালন করে। এই দিন শহিদদের শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডলে শ্রদ্ধা জানিয়ে বুধবার পোস্ট করেন তিনি। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ঝাড়গ্রামে ঘটে যাওয়া ঘটনার স্মৃতিচারণা করেন তিনি। পোস্টে লেখেন, ‘নেতাই-এর অমর শহিদদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম।’ তিনি আরও লেখেন,  ‘আজকের দিনে ২০১১ সালে ঝাড়গ্রাম জেলার নেতাই গ্রামে হার্মাদবাহিনীর হাতে প্রাণ হারান ৯ জন নিরীহ মানুষ। নেতাই-এর সেই সকল শহিদের প্রতি জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি।’

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারির ঘটনা। ঝাড়গ্রামের নেতাইয়ে ৯ জন গ্রামবাসীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। গুরুতর আহত হন বহু গ্রামবাসী। ওই বছর ১০ জানুয়ারি হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। তৎকালীন বার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি সুখেন্দুশেখর রায় ও সহ সম্পাদক সঞ্জয় বর্ধন নেতাই গণহত্যার প্রতিবাদে সিবিআই তদন্ত ও মৃত পরিবারের সদস্য ও আহতদের আর্থিক সাহায্যের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন।

Advertisement

১৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি জয়নারায়ণ পাটেল ও অসীমকুমার রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। মৃতদের পরিবারকে ২ লাখ টাকা ও গুরুতর আহতদের ১ লাখ ও কম গুরুতর আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্যের নির্দেশ দেয়। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় তৎকালীন বাম সরকার।   দেশের সর্বোচ্চ আদালত হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে। ২০১১ সালের জুলাই মাসে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস। ক্ষমতায় এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মৃতদের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা ও গুরুতর আহতদের আর্থিক সাহায্য করেন।

Advertisement

Advertisement