বাজেট অধিবেশন শেষ হতেই প্রশাসনিক কাজে গতি আনতে বড় পদক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী তিন মাস কোন দপ্তর কী কী কাজ করবে, তার বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা আগামী সপ্তাহের মধ্যএ নবান্নে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
সূত্রের খবর, প্রতিটি দপ্তরকে নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করে জানাতে হবে, কোন প্রকল্পের কাজ কীভাবে এগোবে, কোন নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই কাজ সম্পূর্ণ করতে কী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
নবান্ন সূত্রের দাবি, বাজেটে ঘোষিত বিভিন্ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা, আর কোনও সময় নষ্ট করা যাবে না। প্রশাসনিক কাজে গাফিলতি বা অযথা বিলম্প কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। প্রতিটি দপ্তরকে মাঠে নেমে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে এবং নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
সূত্রের খবর, দপ্তরগুলির জমা দেওয়া কর্মপরিকল্পনা খতিয়ে দেখে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজের তালিকা তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কোন প্রকল্প কতদূর এগোচ্ছে, তা নিয়মিত পর্যলোচনা করা হবে উচ্চ পর্যায়ে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকা্রিকদের সঙ্গে বৈঠক করে কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেও।
প্রশাসনিক সূত্রের মতে, সরকারের লক্ষ্য শুধু পরিকল্পনা গ্রহণ নয়, নির্দষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। তাই প্রতিটি দপ্তরকে ফলাফলভিত্তিক কাজের উপর জোর দিতে বলা হয়েছে। সরকারি পরিষেবা দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওায়, বাজেট ঘোষণাগুলির বাস্তবায়ন এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পে গতি আনাই এখন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
নবান্নের একাংশের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশেরর পর আগামী কয়েক মাস রাজ্য প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে কাজের গতি আরও বাড়বে। সময়সীমা মেনে উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই এই কড়া অবস্থান নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।




