• facebook
  • twitter
Wednesday, 22 April, 2026

রাজ্যে প্রথম দফার ভোটে ২৪০৭ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন

জেলা ভিত্তিক হিসেব অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে—মোট ২৭৩ কোম্পানি

রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন হবে বৃহস্পতিবার। উত্তরবঙ্গ-সহ মোট ১৫২টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ হবে এই পর্বে। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে এবার নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন ।

কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই দফায় রাজ্যে মোট প্রায় ২৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। কেন্দ্রগুলিতে সুষ্ঠভাবে ভোটগ্রহণের জন্য এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জোর দিয়ে কমিশন। জেলা ভিত্তিক হিসেব অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে—মোট ২৭৩ কোম্পানি। এর ঠিক পরেই রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর, যেখানে ২৭১ কোম্পানি বাহিনী দায়িত্বে থাকবে।

Advertisement

এরপরই রয়েছে মুর্শিদাবাদ। সেখানে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বাঁকুড়ায় ১৯৩ কোম্পানি, বীরভূমে ১৭৬ কোম্পানি এবং মালদহে ১৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কোচবিহারে ১৪৬ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ১৫১ কোম্পানি এবং আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ১২৫ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। এছাড়া জাঙ্গিপুরে ৭৬ এবং ঝাড়গ্রামে ৭৪ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ে করা হয়েছে।

Advertisement

অন্য জেলাগুলিতেও বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে তুলনামূলক কম সংখ্যায়। ১০০-র মতো বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। দার্জিলিংয়ে ৬১ কোম্পানি, শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে ৪৪ কোম্পানি, কালিম্পংয়ে ২১ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৭৭ কোম্পানি, জলপাইগুড়িতে ৯২ কোম্পানি, ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৬১ কোম্পানি, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৭১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮৩ কোম্পানি, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ৭৬ কোম্পানি এবং ঝাড়গ্রামে ৭৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটের নিরাপত্তা জোরদার করতে একাধিক নতুন পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বহু থানার কার্যকরী নিয়ন্ত্রণ সাময়িকভাবে আধা সামরিক বাহিনীর কমান্ডারদের হাতে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন এবং প্রয়োজনে সরাসরি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে। এলাকায় কোনও ঘটনা ঘটলে পুলিশের অনুমতি না নিয়েই ব্যবস্থা নিতে পারবে বাহিনী, এমনটাই খবর। সব মিলিয়ে, প্রথম দফার ভোটকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখা হয়েছে, যাতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা যায়।

 

Advertisement