সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খানের প্রতিষ্ঠিত জৌহর বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি ও ভবন বাজেয়াপ্ত করল ইডি। উত্তরপ্রদেশের রামপুরে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১১৭০ কোটি টাকা। আর্থিক তছরুপের মামলায় অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনের অধীনে এই পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
ইডির অভিযোগ, সরকারি তহবিল, নির্মাণ সামগ্রী এবং সরকারি প্রকল্পের অর্থ বেআইনিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণকাজে ব্যবহার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, নির্মাণে বেআইনিভাবে পাওয়া ৪২৬.৪৬ কোটি টাকার অর্থ খরচ হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৭২.৬৩ কোটি টাকার বৈধ উৎসের ব্যাখ্যা পাওয়া গিয়েছে। ট্রাস্টের নামে দেখানো ১২.২৯ কোটি টাকার অনুদান নিয়েও সন্দেহ রয়েছে ইডির।
তদন্তে উঠে এসেছে, সরকারি প্রকল্পের বরাত পাওয়া ঠিকাদারদের কাছ থেকে ঘুরপথে ট্রাস্টে টাকা অনুদান হিসেবে পৌঁছত বলে অভিযোগ। একটি সংস্থার প্রায় ১৮৬ কোটি টাকার সরকারি চুক্তির অর্থের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণ সামগ্রী কেনার কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির পরিচালন অধিকর্তা। অন্য একটি সংস্থা ট্রাস্টকে ৪০ লক্ষ টাকা দিয়েছিল বলেও অভিযোগ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কৃষকদের কাছ থেকে জোর করে জমি নেওয়া এবং প্রায় ৩৪ একর ‘শত্রু সম্পত্তি’ বেআইনিভাবে দখলের অভিযোগও রয়েছে। রামপুরের আজিমনগর থানায় দায়ের হওয়া ২৬টি এফআইআরের ভিত্তিতে আর্থিক তছরুপের তদন্ত শুরু করে ইডি। ২০১৫ ও ২০১৬ সালে অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বাধীন উত্তরপ্রদেশ সরকারের নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ছিলেন আজম খান। একাধিক ফৌজদারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে বর্তমানে জেলবন্দি তিনি।




