গত দুদিন ধরেই বৃষ্টি চলছিল কেরলের এই মফস্বল শহরে। তিরুবনন্তপুরমের কাছে এই শহরেই চলছে বাংলা বনাম কেরল রঞ্জি ট্রফির ম্যাচ। বৃষ্টির প্রভাব পড়ল এই ম্যাচেও। আর বৃষ্টিতেই যেন স্যাঁতসেঁতে হয়ে পড়ল বাংলার ব্যাটিং।
প্রথম দুই ম্যাচে ১২ পয়েন্ট পেয়ে গ্রুপের শীর্ষে থাকা বাংলা সোমবার প্রথম দিন ৫০ ওভার ব্যাট করার সুযোগ পায় ঠিকই। কিন্তু তার মধ্যেই ছয় উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। দিনের শেষে বাংলার স্কোর বোর্ড দেখাচ্ছে ১৭২-৬, যা তাদের বোলারদের চাপ ক্রমশ বাড়িয়ে তুলছে। দলে মহম্মদ শামি ও তাঁর ভাই মহম্মদ কাইফ রয়েছে ঠিকই। সঙ্গে শাহবাজ আহমেদও। প্রদীপ্ত প্রামানিকও সঙ্গ দেবেন তাঁদের। বলা হচ্ছে, এই মুহূর্তে ঘরোয়া ক্রিকেটে অন্যতম সেরা বোলিং বিভাগ বাংলারই। সত্যিই কি না, তা প্রমাণ করার সেরা উপায় এটিই।
সোমবার বৃষ্টির জন্য দেরিতে খেলা শুরু হওয়ার পর অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ সঙ্গী ওপেনার অঙ্কুর পালকে নিয়ে ব্যাট করতে নামেন। কিন্তু ২৪ রানের মাথাতেই মাত্র দশ রান করে ফিরে যান তিনি। অঙ্কুর অবশ্য ক্রিজে টিকে থাকেন এবং আটটি চার মেরে ৬৬ রান করেন। কিন্তু উল্টো দিক থেকে পরপর উইকেট পড়তে থাকে তাদের। দল একশো পেরনোর পরেই বড়সড় ধাক্কা খায় বাংলা। মাত্র সাত রানের মধ্যে বাংলার তিন ব্যাটারকে ফিরিয়ে দেন আদিত্য সরওয়াটে। অঙ্কুর, সুদীপ চট্টোপাধ্যায় (৬) ও অভিষেক পোড়েল (০), তিনজনকেই ফেরান মহারাষ্ট্র থেকে আসা ৩৬ বছর বয়সি বাঁহাতি স্পিনার।
এই জায়গা থেকে দলের ব্যাটিংয়ের হাল ধরার চেষ্টা করেন সুদীপ কুমার ঘরামি ও শাহবাজ আহমেদ। কিন্তু দলকে ১৭০ পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার পর সুদীপ ৩৬ রান করে এন বাসিলের শিকার হন। আপাতত শাহবাজের হাতেই বাংলার ভবিষ্যৎ। দিনের শেষে ক্রিজে আসা সুমন্ত গুপ্ত তাঁকে কতটা সাহায্য করতে পারবেন, তা তো মঙ্গলবার সকালেই বোঝা যাবে। তবে টেল এন্ডাররা বাংলাকে দুশো পার করাতে না পারলে সমস্যায় পড়তে পারে। যদিও এই ম্যাচকে বৃষ্টি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করবে, এমনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।




