রূপের উগ্রতা আনে ঔদ্ধত্য| বংশগৌরব ঈশ্বরপ্রদত্ত ধন, শ্রমে মূল্যে নয়| অর্থসম্পদ? সে যে নদীর মত প্রবাহমান, এই আছে এই নেই! জীবনে যা কিছু পাওয়ার, তার অনেকটাই পেয়েছিল ইন্দ্রাণী। স্বামীর ভালোবাসা, পারিবারিক অর্থ কোনও কিছুতেই খামতি ছিল না| ইন্দ্রাণীর (Indrani) সৌন্দর্য নিয়ে তার জীবনে অপূর্ণতার তেমন কোনও দৃশ্যমান লক্ষ্মণও ছিল না। তবু এই প্রাপ্তির মধ্যেও কোথাও যেন একটা অশান্তি রয়ে গিয়েছিল|
চাঁদের কলঙ্ক, না অনন্ত জলধির মাঝে ভাসমান কচুরিপানা? ছিল অভিমান, যা সহজে ভোলার নয়| এমন এক অপমানবোধ, যা সময়ের সঙ্গে মুছে যাওয়ার পরিবর্তে আরও গভীরে শিকড় গেড়েছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘প্রতিহিংসা’ গল্পের ইন্দ্রাণীকে (Indrani) বুঝতে গেলে তার এই অন্তর্দ্বন্দ্বের কাছেই ফিরে যেতে হয়। কারণ ইন্দ্রাণীর (Indrani) গল্প কেবল একজন অপরূপ আত্মহারা সুন্দরী ও অভিজাত নারীর গল্প নয়| যা ম্লান হয়ে ওঠে আত্মমর্যাদা, অহংকার এবং প্রতিশোধের টানাপোড়েনে জড়িয়ে পড়া এক মানবীর গল্পে।
রবীন্দ্রনাথের নারী চরিত্রদের বাইরে থেকে দেখে যতটা সহজ সরল বলে আপাত ভ্রম হয়, ভিতরে তাঁরা ততটাই জটিল। তাঁদের হাসি, অভিমান, নীরবতা কিংবা সামান্য কোনও সিদ্ধান্তের পিছনেও থাকে দীর্ঘ মানসিক ইতিহাস। ‘প্রতিহিংসা’র ইন্দ্রাণীও তেমনই। ইন্দ্রানী অহংকারী! তবে শুধু অহংকারী বললে তার চরিত্রের অনেকখানি অজানা থেকে যায়। আবার তার আত্মমর্যাদার কথা বলে সমস্ত আচরণকে সমর্থন করলেও ভুল হবে। তার মধ্যে ভালো-মন্দ, উদারতা-অহংকার, আত্মবিশ্বাস-অভিমানের যে মিশ্রণ, সেটাই তাকে গল্পের পাতায় জীবন্ত করে তুলেছে।

ইন্দ্রাণীর (Indrani) সৌন্দর্যের বর্ণনায় রবীন্দ্রনাথ বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। কিছুটা শৈল্পিক টানও আছে। তার রূপের মধ্যে এমন একটি স্বাতন্ত্র্য রয়েছে, যা সহজেই চোখে পড়ে। কিন্তু সেই সৌন্দর্য কেবল বাহ্যিক নয়। তার চলন, আচরণ এবং কথাবার্তার মধ্যেও ফুটে ওঠে এক ধরনের ব্যক্তিত্বের দৃঢ়তা, সৌন্দর্য পরিবর্ধনে যা অনন্য হয়ে ওঠে। সে নিজের অবস্থান সম্পর্কে সচেতন, রুচিশীলতা ও শালীনতার তাৎপর্য সে অনুধাবন করে। নিজের সৌন্দর্য ও সামাজিক মর্যাদা সম্পর্কে তার মনে কোনও সংশয় নেই। বরং এই সচেতনতাই তাকে অন্যদের থেকে স্বতন্ত্র করে রেখেছে।
আরও পড়ুন: রবীন্দ্র আলেখ্যে নারী চরিত্রেরা, পর্ব ২: ‘সুভা’র চুপকথা
গল্পের গতিতে ফিরে যাই| ‘প্রতিহিংসা’ গল্পে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বংশমর্যাদার অহংকার, সামাজিক আভিজাত্যের দম্ভ, ঈর্ষা ও আত্মসম্মানের দ্বন্দ্বকে এক সূক্ষ্ম মনস্তাত্ত্বিক ব্যঞ্জনায় রূপ দিয়েছেন। গৌরীকান্তের প্রত্যাখ্যান থেকে উদ্ভূত অপমানবোধ ও অভিমান পরবর্তীকালে দুই পরিবারের সম্পর্কের মধ্যে যে অদৃশ্য ব্যবধান রচনা করে, ইন্দ্রাণী ও নয়নতারার সংঘাত তারই প্রতিফলন। নয়নতারার আভিজাত্যসর্বস্ব মানসিকতা ও ঈর্ষাপ্রসূত আচরণের বিপরীতে ইন্দ্রাণীর সংযম, সৌজন্য এবং আত্মমর্যাদার দৃঢ়তা বিশেষ তাৎপর্য লাভ করে।
অপমানের প্রত্যুত্তরে প্রতিহিংসার আশ্রয় না নিয়ে ইন্দ্রাণী (Indrani) যেন তার ব্যক্তিত্বের মহিমাতেই সমস্ত অবজ্ঞাকে অতিক্রম করে যায়। রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে, বংশগৌরব কিংবা বিত্তবৈভব মানুষের যথার্থ শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠি নয়; প্রকৃত মর্যাদার উৎস তার মনুষ্যত্ব, আত্মসম্মান ও চারিত্রিক ঔদার্য। ব্যক্তিগত অপমান কীভাবে অহংকারের সংঘাতে রূপান্তরিত হয়, কীভাবে ঈর্ষা মানুষের বিবেচনাবোধকে আচ্ছন্ন করে এবং প্রতিশোধস্পৃহা কীভাবে সম্পর্কের স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে বিনষ্ট করে, গল্পের ঘটনাপ্রবাহে তারই মর্মস্পর্শী পরিচয় মেলে। এই অর্থে ‘প্রতিহিংসা’ কেবল ব্যক্তিগত আক্রোশের আখ্যান নয়, বরং মানুষের অন্তর্লীন অহং, অভিমান ও মর্যাদাবোধের এক গভীর জীবনভাষ্য।
ইন্দ্রাণীর (Indrani) সৌন্দর্যের সঙ্গে তার স্বভাবের একটি অদ্ভুত সম্পর্ক রয়েছে। তার মধ্যে যেমন আকর্ষণ আছে, তেমনই আছে দূরত্ব। সে সহজে সবার সঙ্গে মিশে যাওয়ার মতো মানুষ নয়। অন্তরালে বিচরণশীল সে রহস্যময় নারী| ব্যক্তিত্বে এক ধরনের গাম্ভীর্য রয়েছে, রয়েছে আত্মাভিমান। নিজের সম্পর্কে তার ধারণা এতটাই দৃঢ় যে অন্যের সামান্য অবহেলাও তার কাছে বড় হয়ে দেখা দিতে পারে। এই আত্মাভিমানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তার বংশগৌরব। ইন্দ্রাণীর কাছে বংশপরিচয় নিছক পারিবারিক পরিচিতি নয়, তার আত্মমর্যাদারও একটি বড় ভিত্তি। সে জানে, তার পরিবারের একটি ঐতিহ্য আছে, সেই সামাজিক অবস্থান গর্বের। কিন্তু এই গর্ব যখন অন্যকে তুচ্ছ করে, তখন তা হয়ে ওঠে বড়ই দুষ্কর|
অন্যের কাছে যে বিষয়টি সামান্য, ইন্দ্রাণীর (Indrani) কাছে তা আত্মসম্মানের প্রশ্ন। বিশেষত সামাজিক আচার-আচরণ কিংবা অন্যের বাড়িতে আহার করার মতো প্রসঙ্গেও তার বংশমর্যাদার বোধ সক্রিয় হয়ে ওঠে। এখানে তার চরিত্রের একটি দিক স্পষ্ট হয়। সে শুধু নিজের সম্মানটুকু রক্ষা করতে চায় না, নিজের সামাজিক শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কেও নিশ্চিত থাকতে চায়। অথচ মানুষের জীবন তো সব সময় নিজের ইচ্ছেমতো চলে না। অন্যের আচরণ, পরিস্থিতি কিংবা সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে এমন অনেক মুহূর্ত আসে, যখন নিজের অবস্থান নিয়ে নতুন করে ভাবতে হয়। ইন্দ্রাণী সেই বাস্তবতাকে সহজে মেনে নিতে পারে না। তার কাছে অপমানের অনুভূতি এতটাই তীব্র যে তা সাময়িক দুঃখের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং ধীরে ধীরে তা তার মনের মধ্যে জমে ওঠে।

ইন্দ্রাণীর (Indrani) জীবনে স্বামীর ভূমিকা এই প্রসঙ্গে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাইরের মানুষের সামনে সে যতই সংযত থাকুক, স্বামীর কাছে নিজের মনের কথা খুলে বলতে পারে। তার অভিমান, ক্ষোভ, অপমানবোধ তথা সামগ্রিক চেতনা স্বামীর কাছে প্রকাশ পায়। এই দিকটি ইন্দ্রাণীকে কেবল কঠিন ব্যক্তিত্বের অধিকারিণী হিসেবে দেখতে বাধা দেয়। তারও কষ্ট হয়, তারও অভিমান জমে, তারও এমন একজন মানুষকে প্রয়োজন হয়, যার কাছে নিজের মনের ভার নামিয়ে রাখা যায়।
তবে জটিল মনস্তাত্ত্বিক বিন্যাসেও একটি দ্বন্দ্ব রয়েছে। ইন্দ্রাণী কখনও কখনও মনে করে, কিছু কথা স্বামীকে না বলাই ভালো। শেষ পর্যন্ত নিজের আবেগকে আটকে রাখতে পারে না। যে কথা না বলার সংকল্প করে, সেই কথাই বলে ফেলে। এই আচরণের মধ্যে তার মনের অস্থিরতা ধরা পড়ে। বাইরে থেকে যে নারীকে এত দৃঢ় বলে মনে হয়, অন্তরে সে সব সময় ততটা স্থির নয়। কোমল কঠিন, সহজ জটিল এমন দ্বান্দ্বিকতায় পূর্ণ রবীন্দ্রনাথের নারী চরিত্রেরা সাধারণ হয়েও অনন্যা!
ইন্দ্রাণীর (Indrani) অভিমানের গভীরতা বোঝা যায় প্রতিশোধ নেওয়ার প্রবণতার মধ্য দিয়ে। ইন্দ্রাণী (Indrani) সরাসরি আক্রমণ করে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করতে চায় না। তার প্রতিশোধের পথ অন্য রকম। সে নিজের সম্পদ, আভিজাত্য এবং উদারতাকে এমনভাবে ব্যবহার করে, যাতে প্রতিপক্ষের সামনে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করা যায়। তার কাছে প্রতিশোধ মানে শুধু অন্যকে জব্দ করেছে সে ক্ষান্ত হয় না| এমন কিছু করতে চায়, যার মধ্য দিয়ে অন্যকে নিজের অবস্থান বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব। বুঝিয়ে দেওয়া যায় নিজের শ্রেষ্ঠত্ব!
এইখানেই গল্পের নামের তাৎপর্য আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রতিহিংসা মানেই যে ক্রোধের প্রকাশ, তা নয়। অনেক সময় মানুষ হাসিমুখেও প্রতিশোধ নিতে পারে। কখনও দানের মধ্যেও প্রতিহিংসা লুকিয়ে থাকে, কখনও ত্যাগের মধ্যেও থাকে নিজেকে বড় করে দেখানোর আকাঙ্ক্ষা। বাইরে থেকে যে কাজ মহৎ বলে মনে হয়, তার পিছনেও ব্যক্তিগত অভিমান কাজ করতে পারে। ইন্দ্রাণীর চরিত্রে এই জটিলতাই বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
আরও পড়ুন: পর্ব ১: ‘মণিহারা’ গল্পে মণিমালিকা, যে নারীর কাছে স্বামী আলাদীনের জিনি!
গল্পে তার পারিবারিক অলংকারের প্রসঙ্গটি তাই গুরুত্বপূর্ণ। পিতামহের কাছ থেকে পাওয়া গয়নার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে পরিবারের স্মৃতি, উত্তরাধিকারের গর্ব এবং ব্যক্তিগত আবেগ। সেই অলংকারের মূল্য বাজারদরের হিসাব দিয়ে মাপা যায় না। একইভাবে স্বামীর সঞ্চিত সম্পদের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে তাদের সংসার জীবনের নানা স্মৃতি। এই সম্পদগুলিকে দান করার সিদ্ধান্ত তাই সাধারণ কোনও সিদ্ধান্ত নয়।
বাইরে থেকে দেখলে এই দানের মধ্যে উদারতার পরিচয় পাওয়া যায়। নিজের প্রিয় জিনিস অন্যের জন্য উৎসর্গ করা সহজ নয়। তার জন্য প্রয়োজন ত্যাগের মানসিকতা। কিন্তু ইন্দ্রাণীর ক্ষেত্রে এই দানের সঙ্গে মিশে রয়েছে অন্য একটি উদ্দেশ্য। প্রতিহিংসা! সে যেন নিজের ত্যাগের মধ্য দিয়েই প্রতিপক্ষকে বুঝিয়ে দিতে চায়, তার ক্ষমতা কতখানি। যে সম্পদ তার কাছে মূল্যবান, তা ছেড়ে দেওয়ার সামর্থ্যও তার রয়েছে। এই দানের মধ্যে তাই উদারতার পাশাপাশি আত্মপ্রতিষ্ঠার বাসনাও কাজ করে।
ইন্দ্রাণী (Indrani) এখানে এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বের সামনে দাঁড়ায়। সে দান করছে, কিন্তু সেই দানের মধ্যে সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থতার পরিচয় নেই। সে ত্যাগ করছে, কিন্তু সেই ত্যাগের মধ্য দিয়েও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। তার কাজের বাহ্যিক রূপের সঙ্গে অন্তরের উদ্দেশের এই পার্থক্যই গল্পটিকে গভীরতা দিয়েছে। রবীন্দ্রনাথ দেখিয়েছেন, মানুষের কাজকে শুধু বাইরে থেকে দেখে বিচার করলে অনেক সময় তার প্রকৃত অর্থ বোঝা যায় না।
তবে ইন্দ্রাণীকে (Indrani) নিছক অহংকারী কিংবা প্রতিহিংসাপরায়ণ নারী বলে সরিয়ে রাখলে তার চরিত্রের প্রতি সুবিচার করা হবে না। তার আত্মমর্যাদাবোধও সত্যি, তার অপমানের অনুভূতিও সত্যি। নিজের সম্মান রক্ষা করার ইচ্ছা মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি। কিন্তু সেই ইচ্ছা যখন অন্যকে পরাজিত করার আকাঙ্ক্ষায় পরিণত হয়, তখনই সমস্যা তৈরি হয়। ইন্দ্রাণীর ক্ষেত্রে এই সীমারেখাটি বারবার অস্পষ্ট হয়ে যায়। তার চরিত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক, অন্তরে রয়েছে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দৃঢ়তা। সে অসহায়ভাবে পরিস্থিতির কাছে আত্মসমর্পণ করে না।

নিজের সম্পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তার রয়েছে এবং সে সেই অধিকার প্রয়োগও করে। সব থেকেও যেন ম্লান| প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষাই তাকে পরিচালিত করে। যে অপমানের প্রতিকার করতে সে এতটা তৎপর, সেই অপমানের স্মৃতিই শেষ পর্যন্ত তার চিন্তার কেন্দ্রে। প্রতিপক্ষকে পরাজিত করার ইচ্ছা যত প্রবল, নিজের মানসিক শান্তি অপাংক্তেয় হয়ে পড়ে। অন্যের চোখে নিজেকে বড় করে তোলার চেষ্টা করতে গিয়ে সে নিজের অন্তরের অশান্তিকে আরও বাড়িয়ে তোলে। প্রতিশোধের এই পরিণতি বড়ই তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ প্রতিপক্ষকে হারানো আর নিজের মনের ক্ষত সারিয়ে তোলা এক কথা নয়।
রূপ, বংশগৌরব, অর্থসম্পদ এবং স্বামীর ভালোবাসা, সবকিছু থাকা সত্ত্বেও ইন্দ্রাণীর (Indrani) মনে অশান্তি| তা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, মানুষের জীবনের সব অভাব বাইরের প্রাপ্তি দিয়ে পূরণ করা যায় না। অন্তরে দগ্ধ হয় অভিমান | আর সেই অভিমান যখন প্রতিহিংসায় পরিণত হয়, তখন মানুষ অন্যকে আঘাত করার পাশাপাশি নিজেকেও এক অদৃশ্য বন্ধনে বেঁধে ফেলে।
‘প্রতিহিংসা’র ইন্দ্রাণী (Indrani) তাই একদিকে সৌন্দর্য ও আভিজাত্যের প্রতীক, অন্যদিকে মানুষের অন্তরের দুর্বলতা ও জটিলতারও পরিচয়। তাকে ভালো অথবা মন্দের সরল বিচারে বিচার করা যায় না। তার চরিত্রের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব, সেটাই তাকে মনে রাখার মতো করে তোলে। রবীন্দ্রনাথ যেন আমাদের দেখিয়ে দেন, মানুষের সবচেয়ে বড় লড়াই অনেক সময় বহির্শত্রুর সঙ্গে নয়, নিজের মনের সঙ্গেই। আর সেই লড়াইয়ে অন্যকে পরাজিত করেও অধরা রয়ে যায় বিজয় মুকুট!
দেখুন:




