প্রতীক বিতর্কে এবার সরাসরি নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট তলব করল আদালত। একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের হাতে গেল,এই প্রশ্নেই কার্যত চাপে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবারের মধ্যে পুরো বিষয়টি আদালতকে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও।
আদালতে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য দাবি করেন, ২০২১ সাল থেকেই ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট ‘খাম’ প্রতীক ব্যবহার করে আসছে। নির্বাচন কমিশনের তরফেই ওই প্রতীক তাদের দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানান তিনি।
তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে অস্থায়ী প্রতীক হিসেবে ‘ফুটবল’ ও ‘খাম’ প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। ফলে যে প্রতীক আগে থেকেই ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট ব্যবহার করে আসছে, সেটি অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে কীভাবে দেওয়া হল, তা নিয়েই আপত্তি তোলা হয়েছে।
এরপরই নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী উদ্দেশে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের প্রশ্ন,“কীভাবে একই প্রতীক দুটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হলো?”কমিশনের আইনজীবীর বক্তব্য, ওই প্রতীকের কোনও বিশেষত্ব নেই এবং সেটি ‘ফ্রি সিম্বল’; নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনে তা যে কোনও দলকে দিতে পারে।
তবে সেই যুক্তিতেই পাল্টা প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। “এটা কীভাবে সম্ভব?” আদালতের প্রশ্নে আরও জোরালো হয়ে ওঠে সিম্বল বিতর্ক।এদিকে সামনে রয়েছে দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন,নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর। ইতিমধ্যেই দুই কেন্দ্রেই প্রচারপর্ব শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একই প্রতীক নিয়ে দুই রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ময়দানে নামার বিষয়টি কীভাবে সামলানো হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা।
বৃহস্পতিবারের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে আদালতে জানাতে হবে—একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল কীভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে এবং প্রতীক বরাদ্দের ক্ষেত্রে ঠিক কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।




