• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 22 September, 2026

ডিজিটাল লেনদেনে বাড়ছে প্রতারণা, কীভাবে সতর্ক থাকবেন

ডিজিটাল পরিষেবার ব্যবহার যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে সাইবার প্রতারণার ঝুঁকি। ইউপিআই, মোবাইল ব্যাঙ্কিং, অনলাইন বিনিয়োগ

ডিজিটাল লেনদেনে বাড়ছে প্রতারণা, কীভাবে সতর্ক থাকবেন

প্রতীকী চিত্র।

ডিজিটাল পরিষেবার ব্যবহার যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে সাইবার প্রতারণার ঝুঁকি। ইউপিআই, মোবাইল ব্যাঙ্কিং, অনলাইন বিনিয়োগ ও ই-কমার্স মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনকে দ্রুত ও সহজ করেছে। একই সঙ্গে এই ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে প্রতারকেরাও বদলে ফেলছে তাদের কৌশল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সাইবার অপরাধের ঘটনা ২৪ শতাংশ বেড়েছে। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ পৌঁছেছে ২২,৪৯৫ কোটি টাকায়।
ইউপিআই প্রতারণার ক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি— কেউ আপনাকে টাকা পাঠালে ইউপিআই পিন দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। প্রতারকেরা অনেক সময় টাকা ফেরত, পুরস্কার বা পেমেন্টের অজুহাতে কিউআর কোড পাঠায়। সেই কোড স্ক্যান করে পিন দিলে অজান্তেই টাকা চলে যেতে পারে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারেও প্রতারণার ধরন বদলেছে। কণ্ঠস্বর নকল করে পরিচিত ব্যক্তি বা আত্মীয়ের মতো কথা বলা, এমনকি বিশ্বাসযোগ্য ছবি ও ভিডিও তৈরি করেও প্রতারণা করা হচ্ছে। তাই পরিচিত কণ্ঠস্বর বা মুখ দেখেই কারও পরিচয় নিশ্চিত করা উচিত নয়। অস্বাভাবিক বা জরুরি আর্থিক অনুরোধ এলে পরিচিত নম্বরে ফোন করে যাচাই করা দরকার।
‘ডিজিটাল গ্রেপ্তারের নামেও প্রতারণা চলছে। অপরাধে জড়িত থাকার ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের টাকা পাঠাতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আতঙ্কিত না হয়ে প্রথমে তথ্য যাচাই করা জরুরি।
এ ছাড়াও ভুয়ো বিনিয়োগের ওয়েবসাইট, নকল অ্যাপ, ফিশিং বার্তা এবং বিমা সংস্থার প্রতিনিধি সেজে প্রতারণার ঘটনা ঘটছে। ব্যক্তিগত তথ্য বা পলিসির বিবরণ জানা থাকলেও কাউকে বিশ্বাস করার আগে সংশ্লিষ্ট সংস্থার সরকারি নম্বরে যোগাযোগ করা উচিত।
সাইবার নিরাপত্তার মূল মন্ত্র হল— তাড়াহুড়ো না করা, অনুরোধটি বুঝে নেওয়া, সরকারি সূত্রে যাচাই করা এবং নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ না নেওয়া। ওটিপি, পিন, পাসওয়ার্ড, ব্যাঙ্কের তথ্য বা ব্যক্তিগত নথি কখনও যাচাই না করে শেয়ার করা উচিত নয়।