প্রায় ৯৩৩টি স্কুল (Schools) বন্ধ করে দিল রাজ্য সরকার। গত পাঁচ থেকে ২০ বছর ধরে কোনও পড়ুয়া ভর্তি হয়নি এমন প্রাথমিক, উচ্চপ্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্কুল (Schools) পাকাপাকিভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এমনটাই জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের স্কুলশিক্ষা (Schools) দপ্তর। এ নিয়ে স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন (Dipak Barman) বলেছেন, দীর্ঘদিন পড়ুয়া না থাকায় ওই স্কুলগুলির (Schools) ভবন ও অন্যান্য সম্পত্তি কার্যত অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলগুলির (Schools) জমি, ভবন, মাঠ এবং অন্যান্য সম্পত্তি নিয়ে ভবিষ্যতে কী করা হবে, তা খতিয়ে দেখতে আগেই একটি কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশ অনুমোদন দিয়েছিলেন খোদ স্কুলশিক্ষামন্ত্রী (Dipak Barman)। এর পরেই ৯৩৩টি স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।
আরও পড়ুন: ১৬ অক্টোবর রাজ্যসভার নির্বাচন, কোয়েল মল্লিকের ছেড়ে যাওয়া আসনে হবে ভোট
মন্ত্রী (Dipak Barman) জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে বন্ধ স্কুলগুলির জমি, মাঠ এবং অন্যান্য সম্পত্তি সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন পড়ুয়া না থাকায় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে স্কুলগুলির (Schools) সম্পত্তি নষ্ট হচ্ছিল।
শিক্ষামন্ত্রী (Dipak Barman) আরও জানিয়েছেন, রাজ্যে এমন ৯৩৩টি স্কুল (Schools) ছিল যেখানে গত পাঁচ বছরে কেন ২০ বছরেও কোনও পড়ুয়া ভর্তি হয়নি। তাই স্কুলগুলি (Schools) বন্ধ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় ওই স্কুলগুলির (Schools) জমি, ভবন এবং অন্যান্য সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সেগুলির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতেই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: টরন্টো প্ল্যাটফর্ম পুরস্কার জয় নাগাল্যান্ডের ‘অঙ্গ’ ছবিকে পৌঁছে দিল অস্কারের মঞ্চে
মন্ত্রী (Dipak Barman) আরও জানান, প্রাথমিক ভাবে ওই জমিগুলি সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কী ভাবে জমি ও অন্যান্য সম্পত্তি ভবিষ্যতে ব্যবহার করা যায়, কমিটির পর্যালোচনার পরই সেই বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে মমতা শিবিরের বিধায়ক কুণাল ঘোষ(Kunal Ghosh) বলেছেন, ‘পড়ুয়ার সংখ্যা কমে যাওয়া, এটা কয়েক দশকের সমস্যা। ইংলিশ তুলে দেওয়া, কম্পিউটার ব্যবস্থা যথাযথভাবে না করা একটা কারণ হতে পারে। বিশ্বায়নের সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই প্রাইভেট ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে চলে গিয়েছিল। ফলে সরকারি পরিকাঠামো আট আর নয়ের দশক থেকে ধুকতে ধুকতে এগিয়েছে। সিপিএম ইংলিশ তুলে দেয়, কম্পিউটার ঢুকতে দেয়নি, ফলে একটা শ্রেণি তৈরি হয়ে গিয়েছিল। এটাতো রাতারাতি হয়নি।‘
দেখুন:




