• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 7 September, 2026

অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে দমকলের নোটিশ, হাইকোর্টে কালীঘাট তৃণমূল

এবার নতুন সংযোজন দমকলের নোটিশ। সেই নোটিশে জানানো হয়, ক্যামাক স্ট্রিট ভবনের সাত ও আট তলায় অগ্নি নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম না মানার অভিযোগে মালিকপক্ষ এবং ভাড়াটিয়াদের তলব করা হয়েছিল।

অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে দমকলের নোটিশ, হাইকোর্টে কালীঘাট তৃণমূল

File Photo

কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল। ক্যামাক স্ট্রিটের সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয় খালি করার জন্য দমকলের নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল কালীঘাট তৃণমূল। নিম্ন আদালতের নির্দেশে ইতিমধ্যেই স্থিতাবস্থা বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে দমকলের নোটিশ ঘিরে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে।

সোমবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তৃণমূলের আইনজীবী। আদালতে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ক্যামাক স্ট্রিটের কার্যালয় খালি করার নির্দেশ সংক্রান্ত দমকলের নোটিশের বৈধতা নিয়েই হাইকোর্টে প্রশ্ন তোলা হয়। এর পাশাপাশি, নিম্ন আদালতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশের কথাও আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী।

বিষয়টি শুনে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন। চলতি সপ্তাহে শুক্রবার মামলাটির শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ক্যামাক স্ট্রিটে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয় ঘিরে এর আগেও আইনি টানাপড়েন হয়েছে। এবার নতুন সংযোজন দমকলের নোটিশ। সেই নোটিশে জানানো হয়, ক্যামাক স্ট্রিট ভবনের সাত ও আট তলায় অগ্নি নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম না মানার অভিযোগে মালিকপক্ষ এবং ভাড়াটিয়াদের তলব করা হয়েছিল।

ভাড়িটিয়া নথিপত্র নিয়ে হাজিরা দিলেও মালিকপক্ষ তলবে কোনও সাড়া দেননি। নথি যাচাইয়ের পর দেখা যায়, ওই জায়গায় অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দায়িত্ব মালিকের। সেই সংক্রান্ত শংসাপত্রটির মেয়াদ চলতি বছরে ১০ আগস্ট ফুরিয়ে গিয়েছে। সেটা পুনর্নবীকরণের সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু মালিকপক্ষ সেটা করেনি। তাই ভবনের ওই অংশ খালি করতে হবে। এর বিরুদ্ধেই কালীঘাট তৃণমূল হাইকোর্টের দারস্থ হয়।

আরও পড়ুন: কলকাতার পর এবার হুগলি, মিছিলের অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টে কালীঘাট তৃণমূল

নিম্ন আদালতের স্থিতাবস্থার নির্দেশ বহাল থাকা অবস্থায় দমকলের নোটিশের প্রভাব কতটা, সেই প্রশ্নই এখন হাইকোর্টের সামনে উঠতে চলেছে। শুধু তাই নয়, শুক্রবার শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের একাংশের।