স্টেটসম্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সাক্ষাৎকারে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ কুমার দাস বলেন মালদা মুর্শিদাবাদের জন্য বেশ কিছু আলাদা প্রজেক্ট নেওয়া হয়েছে। বন্যায় মালদা মুর্শিদাবাদের ক্ষতি হওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন কেন্দ্রীয় সরকারেরও বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। পূর্ববর্তী সরকার কেন্দ্রের থেকে টাকা নিয়েও কোনো কাজ করেনি। নয়তো এতদিনে কাজ হয়ে যেত।
সামশেরগঞ্জে গ্রামের পর গ্রামে ক্ষতি হয়ে গেছে অনেক বন্যায়। মালদাতেও একই পরিস্থিতি হয়। কেন্দ্রীয় সরকার আগের তৃণমূল সরকারকে অনেকবার সাহায্য করতে চেয়েছিল। কিন্তু তা নেয়নি তৎকালীন রাজ্য সরকার। ভুগেছেন সাধারণ মানুষ। মালদার ভূতনীর চরের অবস্থা বন্যায় বা অতিরিক্ত বৃষ্টিতে প্রচন্ড খারাপ হয়। তার জন্য অলরেডি প্ল্যান অনুমোদন হয়ে গেছে।
ভূতনির চরের ভাঙ্গন আটকানোর জন্য যে কাজ শুরু হবে তা বর্ষা একেবারে বিদায় নিলেই শুরু করা যাবে। বর্ষা থাকাকালীন তা শুরু করা যাবে না। কয়েক কোটির কাজ করতে হবে। কাজ এই বছরই শুরু হবে। যে হাহাকার আমরা দেখতে পেয়েছি পূর্বতন সরকারের ক্ষেত্রে এবার আর তা হবে না। ডিভিসি অকারণে না বলে জল ছেড়ে দেয়।
রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি সেই কারণেই তৈরি হয়েছে বারবার। প্রচুর মানুষের ঘরবাড়ি ভেসে গেছে, চাষের জমি ভেসে গেছে। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই প্রসঙ্গ উঠতেই রাজ্যের মন্ত্রী বলেন এটি পূর্বতন সরকারের চরম মুর্খামি ছাড়া কিছু বলবো না। আমরা কাউকেই মানি না এরকম মনোভাব তৃণমূল কংগ্রেসের ছিল।
ফলে ডিভিসির সঙ্গে তাদের কোনরকম কোঅর্ডিনেশনই ছিল না। ডিভিসিকে জল তো ছাড়তেই হবে। আর ডিভিসির জল না নিলে শুকনো মরশুমে কেউ বাঁচবে না। অনেক দায়িত্ব এবং অনেক ভেবেচিন্তে বিষয়গুলোকে সামলাতে হয়। ডিভিসির সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে জলাধারে জল ধরে রাখা এবং ডিভিসির জল ছাড়া এই দুটো চলছে। এটা তো খুব কঠিন কাজ নয়। আলোচনা না করলে কথা না বললে সমস্যা সমাধান হয় না।
পূর্বতন সরকারের ক্ষেত্রেও আমরা তাই দেখেছি। আমাদের বিজেপি সরকারের ক্ষেত্রে ডিভিসির সঙ্গে আলোচনা করার জন্যই আলাদা প্রতিনিধি রয়েছেন। কতটা জল ছাড়তে হবে, আমরা কতটা সামলাতে পারবো? সবটা আলোচনা করি। তাই জন্য পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব। এবং তাই করব। নিবিড় যোগাযোগ রেখে কাজ করতে হবে।




