নেপালের (Nepal Flash Flood) রাসুয়া জেলায় আপার ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে উদ্ধারকাজের ধীরগতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন এক ইঞ্জিনিয়ার। প্রকল্পে কর্মরত সার্ভেয়ার প্রণয় মাগারের অভিযোগ, শুরু থেকেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ছিল না। তা ঠিকঠাক থাকলে উদ্ধার অভিযান অনেক আগেই শেষ করা সম্ভব হত।
ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মাগার লিখেছেন, মাত্র তিন-চারটি এক্সকাভেটর এবং একটি ব্রেকার মেশিন থাকলেই উদ্ধারকাজ দ্রুত করা সম্ভব ছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়ায় ছয় দিন পরও উদ্ধারকারীরা টানেলে ঢোকার জন্য উপযুক্ত পথ তৈরি করতে পারেনি বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।
মাগার সরাসরি জনপ্রতিনিধিদেরও কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, প্রযুক্তিগত বিষয়গুলি বিশেষজ্ঞদের হাতে ছেড়ে দেওয়া উচিত। তিনি আরও দাবি করেন, সংবাদমাধ্যমে তিনটি এক্সকাভেটর দিনরাত কাজ করছে বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছিল, তা সঠিক নয়। বাস্তবে ঘটনাস্থলে মাত্র একটি মেশইন কাজ করছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।
তিনি প্রশাসনের কাছে দ্রুত প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহের আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর কথায় উদ্ধারকারী দলে যা প্রয়োজন, তা অবিলম্বে পৌঁছে দেওয়া উচিত, যাতে বাড়িতে উদ্বেগে অপেক্ষা করা পরিবারগুলিকে আশ্বস্ত করা যায়।
গত ২৬ আগস্ট, নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে একটি হিমবাহ ধসের জেরে ভূমিধস ও হড়পা বানের (Nepal Flash Flood) সৃষ্টি হয়। মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে ত্রিশূলী নদীর জলস্তর প্রায় নয় মিটার বেড়ে যায়। ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাস গ্রাস করে রাসুয়া, নুওয়াকোট এবং ধাদিং জেলা। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় (Nepal Flash Flood)।
নেপালের সরকারের তথ্য অনুসারে, এই বিপর্যয়ে (Nepal Flash Flood)এখনও পর্যন্ত ৯০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ। অন্যদিকে তিব্বতের গিরং স্থলবন্দরেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে (Nepal Flash Flood)।
নেপালের স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদকদের সংগঠনের দাবি, রাসুয়া ও নুওয়াকোটের নয়টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বহু কর্মী বন্যার (Nepal Flash Flood) পর নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। এর মধ্যে আপার ত্রিশূলী-৩এ প্রকল্পটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে উদ্ধারকাজ চলছে।
জ্বালানি মন্ত্রক জানিয়েছে, ত্রিশূলী-৩এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দিকে যাওয়ার কেবল টানেলের প্রবেশপথ সম্পূর্ণভাবে মাটি ও ধ্বংসস্তূপে (Nepal Flash Flood) চাপা পড়ে গিয়েছে। ফলে সেনাবাহিনী এবং প্রযুক্তিগত দলকে ভারী খননযন্ত্র এনে পথ পরিষ্কার করে কাজ করতে হচ্ছে। তবে উদ্ধারকাজের গতি নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।
দেখুন:




