রবিবার সকালে ইটবোঝাই ট্রাকের চাপে ভেঙে পড়ল কোচবিহারের শীতলকুচি ব্লকের ছোট শালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ফক্কোরের হাট-পঞ্চারহাট সড়কের দেওশাল সেতু। এই সেতু ভেঙে পড়ার জেরে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সাধারণ গ্রামবাসীরা। কারণ এটা যাতায়াত করার অন্যতম লাইফলাইন। সেটা ভারী ট্রাকের চাপে ভেঙে পড়ল। ফক্কোরের হাট-পঞ্চারহাট সড়কের দেওশাল সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই সেতু স্কুল-কলেজ যাতায়াতের ক্ষেত্রে যেমন ব্যবহার হয় তেমন বাণিজ্যের কাজেও ব্যবহার করা হয় দেওশাল সেতু।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই সেতুটির অবস্থা জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। সেতুটিকে দুর্বল ঘোষণা পর্যন্ত করা হয়েছিল। তারপরও এই সেতুর উপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এই ঘটনার পরে প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শীতলকুচির বাসিন্দারা। সেতু ভেঙে পড়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় শীতলকুচি থানার পুলিশ। ওই সেতুতে আটকে থাকা ট্রাককে উদ্ধারের চেষ্টা শুরু হয়। সেতুটি যখন ভেঙে পড়ছিল তখন সেতুর উপর দিয়ে একটি ট্রাক যাচ্ছিল। যদি ওই ট্রাক-সহ সেতু ভেঙে পড়ত তাহলে হতাহতের ঘটনা ঘটত বলে অনুমান করতে পারছেন পুলিশ অফিসাররা।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে ইট বোঝাই একটি ট্রাক দেওয়াল সেতু দিয়ে পারাপারের সময়ে হঠাৎ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে সেতুটি। বরাত জোরে রক্ষা পেয়ে যান ওই ট্রাক চালক। দীর্ঘদিন ধরেই দেওয়াল সেতুটি দুর্বল অবস্থায় ছিল। কিছুদিন আগে ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেতুটিকে দুর্বল ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও দেওয়াল সেতুর উপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়নি। এটা জেলা প্রশাসনের গাফিলতি হিসাবেই দেখছেন সকলে। কেন বন্ধ করা গেল না যানবাহনের চলাচল? উঠছে প্রশ্ন।
তাছাড়া এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কারণ দুর্বল সেতু দিয়ে কীভাবে ভারী ট্রাক চলাচল করছিল? এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারপর স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় শীতলকুচি থানার পুলিশ। সেতুর উপর আটকে থাকা ট্রাকটি উদ্ধারের কাজ করা হয়। এই সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনার জেরে সেতু দিয়ে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। এই সেতু কবে ঠিক হবে? এখন এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চায় স্থানীয় বাসিন্দারা।




