• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 13 August, 2026

গুরুদ্বারে কৃপান হামলার শিকার পাঞ্জাবের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর বাদল

হামলার পর অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলেই গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জাসপাল সিং নামে ওই ব্যক্তি একজন নিহাং শিখ বলে জানা গিয়েছে

গুরুদ্বারে কৃপান হামলার শিকার পাঞ্জাবের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর বাদল

Sukhbir Singh Badal Photo-SNS

মহারাষ্ট্রের নান্দেড়ে তখত শ্রী হুজুর সাহিব গুরুদ্বারে প্রার্থনা সেরে বেরোনোর সময় ধারালো অস্ত্রে হামলার শিকার হলেন শিরোমণি অকালি দলের সভাপতি তথা পাঞ্জাবের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদল। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ মাতা সাহিব গুরুদ্বার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। হামলায় তাঁর হাতে আঘাত লাগে। দ্রুত তাঁকে নান্দেদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বাদলের হাতে সেলাই করা হয়েছে এবং তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।

পুলিশ সূত্রে খবর, বাদল পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গুরুদ্বারে গিয়েছিলেন। প্রার্থনা শেষে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় এক ব্যক্তি আচমকাই তাঁর দিকে এগিয়ে এসে কৃপান দিয়ে হামলার চেষ্টা করেন। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে বাধা দেন। ফলে হামলাকারীর লক্ষ্যভ্রষ্ট আঘাতে বাদলের হাতে চোট লাগে। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে নিরাপত্তাকর্মী ইনস্পেক্টর সন্তোষ কেন্দ্রেও আহত হন। সুখবীর সিং বাদল হলেন পাঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিং বাদলের ছেলে।

হামলার পর অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলেই গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জাসপাল সিং নামে ওই ব্যক্তি একজন নিহাং শিখ বলে জানা গিয়েছে। তিনি গত দু’বছর ধরে ওই গুরুদ্বারে কাজ করছিলেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। হামলার উদ্দেশ্য কী ছিল, তিনি একাই এই ঘটনায় জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীস নান্দেড়ের পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বাদলের সঙ্গেও ফোনে কথা বলে তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন তিনি।

পাঞ্জাব বিজেপি প্রধান কেওয়াল সিং ধিলনও এই হামলার নিন্দা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সমাজমাধ্যমে লেখেন,  ‘আমি তাঁর দ্রুত আরোগ্য ও মনোবল বৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করি। কোনো সমাজ বা গণতন্ত্রে হিংসার কোনো স্থান নেই। বিশেষ করে শিখ ধর্মের অন্যতম পবিত্র তখতে। এই ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং সম্পূর্ণরূপে নিন্দনীয়।’প্রায় তিন বছরের মধ্যে বাদলের উপর এটি দ্বিতীয় হামলার ঘটনা। ২০২৪-এর ডিসেম্বরে অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরে ধর্মীয় শাস্তির অংশ হিসেবে ‘সেবাদার’-এর দায়িত্ব পালন করার সময় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায় নারায়ণ সিং চৌরাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে সে বারও অক্ষত ছিলেন বাদল।