আইএফএ পরিচালিত কলকাতা ফুটবল লিগের প্রিমিয়ার ডিভিশনের ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষস্থানে পৌঁছে গেল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। শনিবার সাদা-কালো ব্রিগেড মুখোমুখি হয়েছিল কলকাতা পুলিশ ক্লাবের বিরুদ্ধে। নিঃসন্দেহে দাপটের সঙ্গে তারা পুলিশের সঙ্গে লড়াই করেছে। পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙতে খেলার প্রথমার্ধে মাত্র ১৯ মিনিট সময় লেগেছিল। শেষ পর্যন্ত মহামেডান স্পোর্টিং ২-০ গোলে কলকাতা পুলিশকে হারিয়ে জয়ের পথকে পরিষ্কার করে নেয়। কোচ মেহেরাজউদ্দিন ওয়াডুর প্রশিক্ষণে এবারে কলকাতা ফুটবল লিগে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব বেশ দাপটের সঙ্গে খেলছে। তারা এই খেলা যদি ধরে রাখতে পারে, তাহলে সুপার সিক্সের খেলায় অবশ্যই নজর কাড়বে মহামেডান স্পোর্টিং।
তবে এদিন পুলিশের ফুটবলাররা মাঝেমধ্যেই আক্রমণে উঠে আসার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আসল লক্ষ্যে পৌঁছতে তাঁরা ব্যর্থ হন। একটা সময় দেখা গিয়েছিল রক্ষণভাগের ফুটবলার বাড়িয়ে ব্যারিকেড তৈরি করে মহামেডানের আক্রমণকে রুখে দিতে। তবে মহামেডান স্পোর্টিংয়ের ফুটবলাররা মাঝমাঠ থেকে যেভাবে আক্রমণ শানাতে থাকেন, তখনই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙতে তাঁদের খুব একটা সমস্যা হবে না। তাই হল। মহম্মদ ফারদিন আলি মোল্লা মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে একক কৃতিত্বে প্রতিপক্ষ শিবিরে পৌঁছে যান। সেখানে দু’জন খেলোয়াড়কে পিছনে ফেলে ফারদিন গোল করতে ভুল করেননি। মহামেডান স্পোর্টিং ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরেও আক্রমণ গড়ে তুলতে চেষ্টায় কোনও ভুল করেনি। তবে খেলার প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি।
দ্বিতীয় পর্বের শুরু থেকেই মহামেডানের ফুটবলাররা সম্মিলিত আক্রমণ গড়ে তুলে আবারও পুলিশের শিবিরে চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। একটা সময় মনে হয়েছিল, মহামেডান স্পোর্টিং খুব সহজেই গোলের ব্যবধান বাড়িয়ে নেবে। পুলিশ যেহেতু রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলেছে, তাই মহামেডানের আক্রমণকে অনেক সময় প্রতিহত করেছে। খেলার ৭২ মিনিটে লালথানকিমা দূরপাল্লার শটে গোল করে মহামেডান স্পোর্টিংয়ের জয় নিশ্চিত করে দেন। মহামেডান ২-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরে কিছুটা হালকা চালে খেলার চেষ্টা করায় গোলের ব্যবধান বাড়াতে পারেনি।




