• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 2 August, 2026

হাইভোল্টেজ হয়ে উঠল শ্রাবণী মেলা, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী সপরিবারে হাজির তারকেশ্বরে

বহু বছর পরে তারকেশ্বরে এসেছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। নিজের শৈশবের কথা সকলের সামনে তুলে ধরেছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

হাইভোল্টেজ হয়ে উঠল শ্রাবণী মেলা, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী সপরিবারে হাজির তারকেশ্বরে

Tripura CM Manik Saha Photo-SNS

শ্রাবণী মেলা পশ্চিমবঙ্গের একটা বড় ইভেন্ট। এই দিনে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন ভিড় জমান তারকেশ্বরে। ভিন রাজ্য থেকেও পুণ্যার্থীরা এখানে এসে থাকেন। এবার এই শ্রাবণী মেলায় এসে পুজো দিয়ে এবং ঘুরে দেখতে হুগলির তারকেশ্বরে এলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। রবিবার সপরিবারে তারকেশ্বর মন্দিরে পুজোও দিয়েছেন তিনি। এখন এই রাজ্যে পালাবদল ঘটেছে। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তারপর ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর এখানে এসে পুজো দেওয়া নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।

এদিন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী পুজো দিয়ে বেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা—দুই রাজ্যের মানুষের মঙ্গল কামনা করেন। পশ্চিমবঙ্গ যেন উন্নয়নের শিখরে পৌঁছয় সেটাই বাবা তারকনাথের কাছে প্রার্থনা করেছেন বলে জানান তিনি। এখন এখানে হেলিকপ্টার থেকে মাথার উপর পুষ্পবৃষ্টি হয়। শ্রাবণ মাসে শ্রাবণী মেলায় ভিড় প্রতিনিয়ত বাড়ছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীর মানুষজন এখানে পুজো দিয়ে পুণ্য অর্জন করে থাকেন। সেই রীতি যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। এবার সেটাই হাইভোল্টেজ হয়ে উঠল ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার উপস্থিতিতে।

বহু বছর পরে তারকেশ্বরে এসেছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। নিজের শৈশবের কথা সকলের সামনে তুলে ধরেছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। মানিক সাহা সংবাদমাধ্যমের সামনে জানান, ‘ছোটবেলায় বাবার সঙ্গে তারকেশ্বরে এসে দুধ পুকুরে স্নান করেছিলাম। এতদিন পরে আবার বাবা তারকনাথের দর্শনে আসতে পেরে অত্যন্ত খুশি হলাম। তবে শ্রাবণ মাসের ভিড়ের কারণে মন্দিরের ভিতরে ভাল করে ঘুরে দেখতে পারিনি। পরে সময় সুযোগ করে আবার তারকেশ্বরে আসব।’ শ্রাবণী মেলা উপলক্ষ্যে সেজে উঠেছে গোটা তারকেশ্বর। জয় বাবা তারকনাথ বলে আওয়াজ তুলে পুণ্যার্থীরা এখন জল ঢালতে মেতে উঠেছেন।

এই শ্রাবণী মেলায় পুজো দিতে এসেও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা রবিবার পশ্চিমবঙ্গের এখনকার রাজনৈতিক এবং সামাজিক অবস্থা নিয়েও মন্তব্য করেছেন। যা নিয়ে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজ্য-রাজনীতি। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী পালাবদলের পর এসে পুজো দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘বাংলায় আগে নাস্তিকতার পরিবেশ ছিল। যা থেকে এখন মুক্তি মিলেছে। এখন রাজ্যের মানুষ নতুন স্বাধীনতার স্বাদ পাচ্ছেন। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে উন্নয়ন এগিয়ে চলেছে। আর প্রধানমন্ত্রীর মার্গ দর্শনে পশ্চিমবঙ্গ আগামী দিনে আরও এগিয়ে যাবে। এই বিশ্বাস রয়েছে আমার। সকলের মঙ্গল হোক এই প্রার্থনা করি।’