• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 16 July, 2026

ফের বিতর্কের কেন্দ্রে রেফারি! সেমিফাইনালেও কি আর্জেন্টিনা বিশেষ সুবিধা পেল? উঠছে একের পর এক প্রশ্ন

ইংল্যান্ডের দাবি, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তাদের বিরুদ্ধে গিয়েছে। ফলে আবারও উঠছে প্রশ্ন—এই বিশ্বকাপে কি আর্জেন্টিনা রেফারিদের কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে?

ফের বিতর্কের কেন্দ্রে রেফারি! সেমিফাইনালেও কি আর্জেন্টিনা বিশেষ সুবিধা পেল? উঠছে একের পর এক প্রশ্ন

Photo: Representational Image

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা ফাইনালে উঠলেও ম্যাচ শেষের পর ফের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এল রেফারিং। ইংল্যান্ডের দাবি, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তাদের বিরুদ্ধে গিয়েছে। ফলে আবারও উঠছে প্রশ্ন—এই বিশ্বকাপে কি আর্জেন্টিনা রেফারিদের কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে?

ম্যাচের শুরু থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। প্রথমে জুড বেলিংহ্যামের উপর ‘লেট ট্যাকল’ করেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। কিছুক্ষণের মধ্যেই এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে কড়া চ্যালেঞ্জ করেন এনজো ফার্নান্দেজ। ইংল্যান্ডের ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফের দাবি ছিল, অন্তত একটি ক্ষেত্রে হলুদ কার্ড দেখানো উচিত ছিল। কিন্তু রেফারি ইসমাইল এলফাথ কোনও কার্ড দেখাননি। সেই সিদ্ধান্তকে ঘিরেই মাঠে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় লিওনেল মেসি এবং বেলিংহ্যামের মধ্যে।

প্রথমার্ধে আরও একটি ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড। আর্জেন্টিনার জুলিয়ানো সিমেওনে একের পর এক ফাউল করলেও দীর্ঘ সময় কোনও কার্ড দেখানো হয়নি বলে অভিযোগ। অন্য দিকে, ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসন তুলনামূলক কম কড়া ট্যাকলে হলুদ কার্ড দেখেন। সেই বৈপরীত্যও ইংল্যান্ড শিবিরকেও আরো ক্ষুব্ধ করে তোলে।

দ্বিতীয়ার্ধেও বিতর্ক থামেনি। ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের দাবি, আর্জেন্টিনার বক্সে বেশ কয়েকটি ধাক্কাধাক্কি ও সম্ভাব্য ফাউলের ঘটনায় রেফারি পেনাল্টির আবেদন খারিজ করেন। অন্য দিকে, আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের বিরুদ্ধে সময় নষ্টের অভিযোগ উঠলেও সে ক্ষেত্রেও কঠোর পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি ম্যাচ অফিসিয়ালদের।

এই সেমিফাইনালকে ঘিরে বিতর্ক আরও বেড়েছে কারণ, এর আগেও চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ঘিরে রেফারির একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে মেসির একটি চ্যালেঞ্জে লাল কার্ড না দেখানো, মিশরের বিরুদ্ধে একটি গোল বাতিল এবং সুইৎজারল্যান্ড ম্যাচে ভিএআর সিদ্ধান্ত—সব মিলিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ‘VARgentina’ তকমাও ছড়িয়ে পড়েছিল। যদিও ফিফা এবং রেফারিদের প্রধান পিয়েরলুইজি কলিনা বারবার জানিয়েছেন, সব সিদ্ধান্তই ফুটবলের নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে।